জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার ৩ নম্বর আয়মারসুলপুর ইউনিয়নের পশ্চিম মানিক এলাকায় নুর মোহাম্মদের বাড়ি থেকে সামছুলের বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ৩০০ মিটার রাস্তার সোলিং কাজে নিম্নমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কাজের শুরু থেকেই নিম্নমানের ইট ব্যবহারসহ নির্মাণকাজে বিভিন্ন অনিয়ম করা হচ্ছে। জানা গেছে, রাস্তা সোলিংয়ের জন্য উপজেলা উন্নয়ন সহায়তা তহবিল থেকে ৫ লাখ ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের ২১ জুলাই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স সরদার চাউল কলের সঙ্গে এ কাজের চুক্তি সম্পাদন করা হয়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাস্তার সোলিংয়ের কাজে নিম্নমানের ইট ব্যবহার করা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সোলিংয়ের নিচে বালু দেওয়ার কথা থাকলেও সেখানে বালু না দিয়েই ইট বিছানো হয়েছে। পরে ইটের ওপর বালু দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া রাস্তার দুই পাশে নিয়ম অনুযায়ী এজিং দেওয়ার কথা থাকলেও বিভিন্ন স্থানে তা দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তারা। স্থানীয় বাসিন্দা হাবিবুর রহমান বলেন, রাস্তার সোলিংয়ের নিচে বালু দেওয়ার কথা থাকলেও বালু না দিয়েই ইট বিছানো হয়েছে।
পরে ইটের ওপর বালু দেওয়া হয়েছে। রাস্তার দুই পাশে এজিং দেওয়ার কথা থাকলেও বিভিন্ন স্থানে তা বাদ দেওয়া হয়েছে। আমরা কাজের অনিয়মের বিষয়ে বাধা দিলেও কোনো কর্ণপাত করা হচ্ছে না। মেহেদী হাসান নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, এত নিম্নমানের ইট দিয়ে রাস্তার সোলিংয়ের কাজ হতে এই প্রথম দেখলাম। রাস্তার ওপর দিয়ে ভ্যান চলাচল করলেই ইট ভেঙে যাচ্ছে।
বাবু নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, দুই নম্বর ইট দিয়ে রাস্তার সোলিংয়ের কাজ করা হয়েছে। আমরা বাধা দিলে বলা হচ্ছে, পরে আবার ঠিক করে দেওয়া হবে। অভিযোগের বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স সরদার চাউল কলের প্রোপ্রাইটর এমদাদুল হক সরদার বলেন, লাইসেন্স আমার হলেও কাজ করছেন অন্য একজন। এই মুহূর্তে তার নাম মনে নেই। জেনে পরে আপনাকে জানাতে পারব।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয়ের (এলজিইডি) উপসহকারী প্রকৌশলী মো. সুজন রেজা বলেন, কাজ শেষ করার পর বিষয়টি ঠিকাদারের লোকজন আমাকে জানিয়েছেন। আমরা সরেজমিনে গিয়ে কাজ দেখে সঠিক প্রত্যয়ন দেব।


















