আজ রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৪ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ০৭ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
আংশিক মেঘলা
৩১°C
সর্বোচ্চ: ৩২°C
সর্বনিম্ন: ২৬°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ১০০%

গুলিয়াখালী সৈকতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে উপজেলা প্রশাসনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

  • MIT ERP
  • Update Time : 10:51:19 am, Sunday, 20 September 2026
  • 12

গুলিয়াখালী সৈকতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে উপজেলা প্রশাসনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র গুলিয়াখালী সমুদ্রসৈকতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিবেশ সুরক্ষায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এ অভিযানের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফখরুল ইসলাম।

অভিযানে গুলিয়াখালী সমুদ্রসৈকতের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ময়লা-আবর্জনা, প্লাস্টিক, পলিথিনসহ বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য অপসারণ করা হয়। পাশাপাশি পর্যটনকেন্দ্রটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পরিবেশ রক্ষায় পর্যটকদের মধ্যে সচেতনতামূলক বার্তা দেওয়া হয়। অভিযানে সীতাকুণ্ড পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মী, সীতাকুণ্ড ডিগ্রি কলেজ বিএনসিসির সদস্য, মুরাদপুর ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশসহ বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা অংশ নেন।

ইউএনও মো. ফখরুল ইসলাম বলেন, গুলিয়াখালী সমুদ্রসৈকতে প্রতিনিয়ত বিপুলসংখ্যক পর্যটক আসেন। এতে বিভিন্ন স্থানে ময়লা-আবর্জনা জমে পরিবেশ দূষণের সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বর্জ্য সাগরের পানিতে গিয়ে পানিদূষণের পাশাপাশি প্রাকৃতিক পরিবেশের ক্ষতি করছে। তিনি বলেন,পর্যটকরা সচেতনভাবে নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেললে এ সংকট অনেকটাই কমানো সম্ভব। শুধু গুলিয়াখালী নয়, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সীতাকুণ্ড উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নেও এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, গুলিয়াখালী সমুদ্রসৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পরিবেশ রক্ষায় নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত রাখার পাশাপাশি পর্যটকদেরও যেখানে-সেখানে ময়লা-আবর্জনা না ফেলার বিষয়ে সচেতন হতে হবে। এ বিষয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল হওয়ার এবং নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ফজলে রাব্বি, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোতাছিম বিল্লাহ, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. ইশতিয়াক, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ইসমত আরাসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

গুলিয়াখালী সৈকতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে উপজেলা প্রশাসনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

Update Time : 10:51:19 am, Sunday, 20 September 2026

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র গুলিয়াখালী সমুদ্রসৈকতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিবেশ সুরক্ষায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এ অভিযানের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফখরুল ইসলাম।

অভিযানে গুলিয়াখালী সমুদ্রসৈকতের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ময়লা-আবর্জনা, প্লাস্টিক, পলিথিনসহ বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য অপসারণ করা হয়। পাশাপাশি পর্যটনকেন্দ্রটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পরিবেশ রক্ষায় পর্যটকদের মধ্যে সচেতনতামূলক বার্তা দেওয়া হয়। অভিযানে সীতাকুণ্ড পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মী, সীতাকুণ্ড ডিগ্রি কলেজ বিএনসিসির সদস্য, মুরাদপুর ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশসহ বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা অংশ নেন।

ইউএনও মো. ফখরুল ইসলাম বলেন, গুলিয়াখালী সমুদ্রসৈকতে প্রতিনিয়ত বিপুলসংখ্যক পর্যটক আসেন। এতে বিভিন্ন স্থানে ময়লা-আবর্জনা জমে পরিবেশ দূষণের সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বর্জ্য সাগরের পানিতে গিয়ে পানিদূষণের পাশাপাশি প্রাকৃতিক পরিবেশের ক্ষতি করছে। তিনি বলেন,পর্যটকরা সচেতনভাবে নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেললে এ সংকট অনেকটাই কমানো সম্ভব। শুধু গুলিয়াখালী নয়, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সীতাকুণ্ড উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নেও এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, গুলিয়াখালী সমুদ্রসৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পরিবেশ রক্ষায় নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত রাখার পাশাপাশি পর্যটকদেরও যেখানে-সেখানে ময়লা-আবর্জনা না ফেলার বিষয়ে সচেতন হতে হবে। এ বিষয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল হওয়ার এবং নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ফজলে রাব্বি, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোতাছিম বিল্লাহ, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. ইশতিয়াক, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ইসমত আরাসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।