আজ বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ০৪ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
আংশিক মেঘলা
২৮°C
সর্বোচ্চ: ৩৩°C
সর্বনিম্ন: ২৫°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৭৯%

লালমনিরহাট ও ঝিনাইদহে পাটের ফলন ও দাম নিয়ে চাষিদের অসন্তোষ

  • MIT ERP
  • Update Time : 08:58:30 pm, Wednesday, 16 September 2026
  • 18

লালমনিরহাট ও ঝিনাইদহে পাটের ফলন ও দাম নিয়ে চাষিদের অসন্তোষ

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

সোনালি আঁশের স্বপ্ন এখন যেন লালমনিরহাটের কৃষকের দুঃস্বপ্ন। খরা, অতিবৃষ্টি ও রোগবালাইয়ে কমেছে পাটের ফলন। সেইসাথে বাজারে পাটের দাম কমে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ তুলতেই হিমশিম খাচ্ছেন কৃষকরা। তবে ঝিনাইদহে এবার ফলন ভালো হলেও নতুন পাট বাজারে ওঠার পর দাম কমে যাওয়ায় অসন্তোষ চাষিদের।

তিস্তা, ধরলা ও সানিয়াজান নদীর চরাঞ্চলসহ লালমনিরহাটের বিভিন্ন এলাকায় এবার ব্যাপক পাটের আবাদ হয়েছে। ধানসহ অন্যান্য ফসল ভালো না হওয়া জমিতেও লাভের আশায় পাট চাষ করেছেন কৃষকরা। কিন্তু মৌসুমজুড়ে খরা, অতিবৃষ্টি ও রোগবালাইয়ের প্রভাবে আশানুরূপ ফলন হয়নি।

বিঘাপ্রতি প্রায় ১০ হাজার টাকা খরচ করে উৎপাদন হয়েছে তিন মনেরও কম। বর্তমানে মনপ্রতি পাট বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকায়। ফলে হতাশ কৃষকরা।

লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. সাইখুল আরেফিন বলেন, ‘চলতি মৌসুমে লালমনিরহাটে ৪ হাজার ৪৫ হেক্টর জমিতে পাট আবাদ হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩৫ হেক্টর বেশি। তবে অতিবৃষ্টির কারণে ফলন কিছুটা কমেছে।’

ঝিনাইদহে পাট কাটা ও জাগ দেওয়ার কাজ প্রায় শেষ। শুরুতে মণপ্রতি সাড়ে ৪ হাজার থেকে ৪ হাজার ৭০০ টাকা পাওয়া গেলেও এখন বাজারে দাম নেমে এসেছে সাড়ে ৩ থেকে ৩ হাজার ৮০০ টাকায়। যদিও বিঘাপ্রতি ১০ থেকে ১২ মণ ফলন হয়েছে।

ঝিনাইদহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. কামরুজ্জামান বলেন, ‘ঝিনাইদহে এবার পাটের উৎপাদন ভালো হয়েছে এবং কৃষকও ভালো দাম পাচ্ছেন।’

বাজারদরের অনিশ্চয়তা অব্যাহত থাকলে আগামী মৌসুমে পাট চাষে কৃষকের আগ্রহ কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

এআই ফিচার ও পানির নিচে ছবি তোলার সুবিধা নিয়ে টেকনোর নতুন ফোন বাজারে

লালমনিরহাট ও ঝিনাইদহে পাটের ফলন ও দাম নিয়ে চাষিদের অসন্তোষ

Update Time : 08:58:30 pm, Wednesday, 16 September 2026

সোনালি আঁশের স্বপ্ন এখন যেন লালমনিরহাটের কৃষকের দুঃস্বপ্ন। খরা, অতিবৃষ্টি ও রোগবালাইয়ে কমেছে পাটের ফলন। সেইসাথে বাজারে পাটের দাম কমে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ তুলতেই হিমশিম খাচ্ছেন কৃষকরা। তবে ঝিনাইদহে এবার ফলন ভালো হলেও নতুন পাট বাজারে ওঠার পর দাম কমে যাওয়ায় অসন্তোষ চাষিদের।

তিস্তা, ধরলা ও সানিয়াজান নদীর চরাঞ্চলসহ লালমনিরহাটের বিভিন্ন এলাকায় এবার ব্যাপক পাটের আবাদ হয়েছে। ধানসহ অন্যান্য ফসল ভালো না হওয়া জমিতেও লাভের আশায় পাট চাষ করেছেন কৃষকরা। কিন্তু মৌসুমজুড়ে খরা, অতিবৃষ্টি ও রোগবালাইয়ের প্রভাবে আশানুরূপ ফলন হয়নি।

বিঘাপ্রতি প্রায় ১০ হাজার টাকা খরচ করে উৎপাদন হয়েছে তিন মনেরও কম। বর্তমানে মনপ্রতি পাট বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকায়। ফলে হতাশ কৃষকরা।

লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. সাইখুল আরেফিন বলেন, ‘চলতি মৌসুমে লালমনিরহাটে ৪ হাজার ৪৫ হেক্টর জমিতে পাট আবাদ হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩৫ হেক্টর বেশি। তবে অতিবৃষ্টির কারণে ফলন কিছুটা কমেছে।’

ঝিনাইদহে পাট কাটা ও জাগ দেওয়ার কাজ প্রায় শেষ। শুরুতে মণপ্রতি সাড়ে ৪ হাজার থেকে ৪ হাজার ৭০০ টাকা পাওয়া গেলেও এখন বাজারে দাম নেমে এসেছে সাড়ে ৩ থেকে ৩ হাজার ৮০০ টাকায়। যদিও বিঘাপ্রতি ১০ থেকে ১২ মণ ফলন হয়েছে।

ঝিনাইদহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. কামরুজ্জামান বলেন, ‘ঝিনাইদহে এবার পাটের উৎপাদন ভালো হয়েছে এবং কৃষকও ভালো দাম পাচ্ছেন।’

বাজারদরের অনিশ্চয়তা অব্যাহত থাকলে আগামী মৌসুমে পাট চাষে কৃষকের আগ্রহ কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।