আজ সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৩০ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ০১ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
পরিষ্কার আকাশ
৩৩°C
সর্বোচ্চ: ৩৩°C
সর্বনিম্ন: ২৭°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৬৫%

শাহজালাল বিমানবন্দরে সাড়ে ১৭ লাখ টাকার সিগারেট, ভেপ ও মোবাইল ডিসপ্লে জব্দ

  • MIT ERP
  • Update Time : 11:23:35 am, Monday, 14 September 2026
  • 10

শাহজালাল বিমানবন্দরে সাড়ে ১৭ লাখ টাকার সিগারেট, ভেপ ও মোবাইল ডিসপ্লে জব্দ

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৃথক অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বিদেশি সিগারেট, ভেপ এবং মোবাইল ফোনের ডিসপ্লে জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। দুবাই, মালয়েশিয়া ও চীনের গুয়াংজু থেকে আসা তিনটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের যাত্রীদের ব্যাগেজ থেকে এসব পণ্য উদ্ধার করা হয়।

কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, জব্দ করা পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৭ লাখ ৪৫ হাজার ৫০০ টাকা। ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিমানবন্দর কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত সার্কেলের বি-শিফটের কর্মকর্তারা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে আগত সন্দেহভাজন যাত্রীদের ওপর বিশেষ নজরদারি শুরু করেন। দুবাই থেকে Emirates -এর EK584 ফ্লাইটে আসা আবদুল করিম গ্রিন চ্যানেল দিয়ে বের হওয়ার সময় তার ব্যাগেজ নিয়ে সন্দেহ হলে তল্লাশি চালানো হয়।

পরে ব্যাগেজের ইনভেন্টরি করে সেখান থেকে ২২৩ কার্টন বিদেশি সিগারেট উদ্ধার করা হয়। একই দিনে মালয়েশিয়া থেকে AirAsia -এর AK71 ফ্লাইটে আসা স্বপন নামের এক যাত্রীর ব্যাগেজে তল্লাশি চালিয়ে ৪৪টি ভেপ জব্দ করেন কাস্টমস গোয়েন্দার কর্মকর্তারা। অন্যদিকে, গুয়াংজু থেকে US-Bangla Airlines -এর BS326 ফ্লাইটে আসা দুই যাত্রীর ব্যাগেজ থেকেও বিপুল পরিমাণ পণ্য উদ্ধার করা হয়।

যাত্রী কেএম তোফায়েল আহমদের কাছ থেকে ৯৮টি এবং শামিমা আক্তারের কাছ থেকে ৪৬টি মোবাইল ডিসপ্লে পাওয়া যায়। দুই যাত্রীর কাছ থেকে মোট জব্দ করা মোবাইল ডিসপ্লের সংখ্যা ১৪৪টি। সব মিলিয়ে ওই দিন তিনটি আন্তর্জাতিক রুটের ফ্লাইট থেকে কাস্টমস গোয়েন্দারা ২২৩ কার্টন সিগারেট, ৪৪টি ভেপ ও ১৪৪টি মোবাইল ডিসপ্লে আটক করেন। জব্দ করা সব পণ্যের আনুমানিক মূল্য ১৭ লাখ ৪৫ হাজার ৫০০ টাকা।

একদিনে ভিন্ন ভিন্ন আন্তর্জাতিক রুট থেকে একই ধরনের চোরাচালানি পণ্য উদ্ধারের ঘটনাকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। এসব চালানের সঙ্গে কোনো সংঘবদ্ধ চক্রের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, যাত্রীদের পণ্য বহনের বাহক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে কি না এবং এর পেছনে কারা জড়িত—তা খতিয়ে দেখা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

চুয়াডাঙ্গায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন

শাহজালাল বিমানবন্দরে সাড়ে ১৭ লাখ টাকার সিগারেট, ভেপ ও মোবাইল ডিসপ্লে জব্দ

Update Time : 11:23:35 am, Monday, 14 September 2026

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৃথক অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বিদেশি সিগারেট, ভেপ এবং মোবাইল ফোনের ডিসপ্লে জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। দুবাই, মালয়েশিয়া ও চীনের গুয়াংজু থেকে আসা তিনটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের যাত্রীদের ব্যাগেজ থেকে এসব পণ্য উদ্ধার করা হয়।

কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, জব্দ করা পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৭ লাখ ৪৫ হাজার ৫০০ টাকা। ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিমানবন্দর কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত সার্কেলের বি-শিফটের কর্মকর্তারা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে আগত সন্দেহভাজন যাত্রীদের ওপর বিশেষ নজরদারি শুরু করেন। দুবাই থেকে Emirates -এর EK584 ফ্লাইটে আসা আবদুল করিম গ্রিন চ্যানেল দিয়ে বের হওয়ার সময় তার ব্যাগেজ নিয়ে সন্দেহ হলে তল্লাশি চালানো হয়।

পরে ব্যাগেজের ইনভেন্টরি করে সেখান থেকে ২২৩ কার্টন বিদেশি সিগারেট উদ্ধার করা হয়। একই দিনে মালয়েশিয়া থেকে AirAsia -এর AK71 ফ্লাইটে আসা স্বপন নামের এক যাত্রীর ব্যাগেজে তল্লাশি চালিয়ে ৪৪টি ভেপ জব্দ করেন কাস্টমস গোয়েন্দার কর্মকর্তারা। অন্যদিকে, গুয়াংজু থেকে US-Bangla Airlines -এর BS326 ফ্লাইটে আসা দুই যাত্রীর ব্যাগেজ থেকেও বিপুল পরিমাণ পণ্য উদ্ধার করা হয়।

যাত্রী কেএম তোফায়েল আহমদের কাছ থেকে ৯৮টি এবং শামিমা আক্তারের কাছ থেকে ৪৬টি মোবাইল ডিসপ্লে পাওয়া যায়। দুই যাত্রীর কাছ থেকে মোট জব্দ করা মোবাইল ডিসপ্লের সংখ্যা ১৪৪টি। সব মিলিয়ে ওই দিন তিনটি আন্তর্জাতিক রুটের ফ্লাইট থেকে কাস্টমস গোয়েন্দারা ২২৩ কার্টন সিগারেট, ৪৪টি ভেপ ও ১৪৪টি মোবাইল ডিসপ্লে আটক করেন। জব্দ করা সব পণ্যের আনুমানিক মূল্য ১৭ লাখ ৪৫ হাজার ৫০০ টাকা।

একদিনে ভিন্ন ভিন্ন আন্তর্জাতিক রুট থেকে একই ধরনের চোরাচালানি পণ্য উদ্ধারের ঘটনাকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। এসব চালানের সঙ্গে কোনো সংঘবদ্ধ চক্রের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, যাত্রীদের পণ্য বহনের বাহক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে কি না এবং এর পেছনে কারা জড়িত—তা খতিয়ে দেখা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।