আজ সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২৩ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮
ঢাকা
বজ্রসহ বৃষ্টি
৩২°C
সর্বোচ্চ: ৩২°C
সর্বনিম্ন: ২৭°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৯৮%

মালয়েশিয়ায় অনিয়মিত বাংলাদেশিদের দ্রুত দেশে ফেরার আহ্বান বাংলাদেশ হাইকমিশনের

  • MIT ERP
  • Update Time : 01:35:22 pm, Monday, 7 September 2026
  • 9

মালয়েশিয়ায় অনিয়মিত বাংলাদেশিদের দ্রুত দেশে ফেরার আহ্বান বাংলাদেশ হাইকমিশনের

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

মালয়েশিয়ায় বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বা অনিয়মিতভাবে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের সতর্ক করে দ্রুত সরকারি প্রক্রিয়ায় দেশে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছে কুয়ালালামপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন। দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগের চলমান অভিযানের মুখে গ্রেফতার ও পরবর্তী আইনি জটিলতা এড়াতে প্রবাসীদের ‘মাইগ্র্যান্ট রিপেট্রিয়েশন প্রোগ্রাম ২.০’ (পিআরএম ২.০) ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

রোববার মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় এ বিষয়ে কথা বলেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রথম সচিব (প্রেস) তরিকুল ইসলাম। তিনি জানান, নথিবিহীন ও অনিয়মিত বিদেশিদের নিরাপদ এবং আইনসম্মতভাবে নিজ দেশে ফেরার সুযোগ দিতে মালয়েশিয়া সরকার পিআরএম ২.০ চালু করেছে। কর্মসূচিটির আওতায় বাংলাদেশে ফিরতে ইচ্ছুকদের নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে আবেদন করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

হাইকমিশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ফেরার জন্য আবেদনকারীর বৈধ ও মেয়াদ থাকা বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রয়োজন। পাসপোর্ট না থাকলে কিংবা এর মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে ট্রাভেল পারমিট (টিপি) সংগ্রহ করা যাবে। এ ছাড়া দেশে ফেরার জন্য আগে থেকেই নিশ্চিত বিমান টিকিট থাকতে হবে। নিয়ম অনুযায়ী, ইমিগ্রেশন অ্যাপয়েন্টমেন্টের অন্তত পাঁচ দিন পর থেকে সর্বোচ্চ ১৪ দিনের মধ্যে বিমানের যাত্রার তারিখ নির্ধারণ করতে হবে।

আবেদনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে নির্ধারিত ইমিগ্রেশন অফিসে সরাসরি উপস্থিত হতে হবে। কোনো দালাল, প্রতিনিধি বা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে আবেদন করার সুযোগ নেই। আবেদনকারীর সঙ্গে পাসপোর্ট অথবা ট্রাভেল পারমিট, পাসপোর্টের বায়োডাটা পৃষ্ঠার কপি, সংশ্লিষ্ট ইমিগ্রেশন পাসের কপি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পুরোনো ও নতুন পাসপোর্ট থাকতে হবে। পাশাপাশি নিশ্চিত বিমান টিকিটও দেখাতে হবে।

অবৈধ বাংলাদেশিদের বিশেষভাবে সতর্ক করে তরিকুল ইসলাম বলেন, পিআরএম ২.০-এর আবেদন প্রক্রিয়ায় কোনো দালাল বা তৃতীয় পক্ষকে অর্থ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কেউ অতিরিক্ত সুবিধা বা দ্রুত কাজ করে দেওয়ার কথা বলে টাকা দাবি করলে তাদের থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মালয়েশিয়াজুড়ে অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্তে ইমিগ্রেশন বিভাগের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে গ্রেফতার হওয়ার আগে সরকারি প্রত্যাবাসন কর্মসূচির মাধ্যমে দেশে ফিরে যাওয়ার সুযোগ নিতে বাংলাদেশিদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে হাইকমিশন। একই সঙ্গে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা না করে সংশ্লিষ্ট ইমিগ্রেশন অফিস এবং বাংলাদেশ হাইকমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করে কর্মসূচির সর্বশেষ নিয়ম ও তথ্য জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

আজ তাসমিয়া হক হিয়া’র ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী

মালয়েশিয়ায় অনিয়মিত বাংলাদেশিদের দ্রুত দেশে ফেরার আহ্বান বাংলাদেশ হাইকমিশনের

Update Time : 01:35:22 pm, Monday, 7 September 2026

মালয়েশিয়ায় বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বা অনিয়মিতভাবে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের সতর্ক করে দ্রুত সরকারি প্রক্রিয়ায় দেশে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছে কুয়ালালামপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন। দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগের চলমান অভিযানের মুখে গ্রেফতার ও পরবর্তী আইনি জটিলতা এড়াতে প্রবাসীদের ‘মাইগ্র্যান্ট রিপেট্রিয়েশন প্রোগ্রাম ২.০’ (পিআরএম ২.০) ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

রোববার মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় এ বিষয়ে কথা বলেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রথম সচিব (প্রেস) তরিকুল ইসলাম। তিনি জানান, নথিবিহীন ও অনিয়মিত বিদেশিদের নিরাপদ এবং আইনসম্মতভাবে নিজ দেশে ফেরার সুযোগ দিতে মালয়েশিয়া সরকার পিআরএম ২.০ চালু করেছে। কর্মসূচিটির আওতায় বাংলাদেশে ফিরতে ইচ্ছুকদের নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে আবেদন করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

হাইকমিশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ফেরার জন্য আবেদনকারীর বৈধ ও মেয়াদ থাকা বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রয়োজন। পাসপোর্ট না থাকলে কিংবা এর মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে ট্রাভেল পারমিট (টিপি) সংগ্রহ করা যাবে। এ ছাড়া দেশে ফেরার জন্য আগে থেকেই নিশ্চিত বিমান টিকিট থাকতে হবে। নিয়ম অনুযায়ী, ইমিগ্রেশন অ্যাপয়েন্টমেন্টের অন্তত পাঁচ দিন পর থেকে সর্বোচ্চ ১৪ দিনের মধ্যে বিমানের যাত্রার তারিখ নির্ধারণ করতে হবে।

আবেদনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে নির্ধারিত ইমিগ্রেশন অফিসে সরাসরি উপস্থিত হতে হবে। কোনো দালাল, প্রতিনিধি বা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে আবেদন করার সুযোগ নেই। আবেদনকারীর সঙ্গে পাসপোর্ট অথবা ট্রাভেল পারমিট, পাসপোর্টের বায়োডাটা পৃষ্ঠার কপি, সংশ্লিষ্ট ইমিগ্রেশন পাসের কপি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পুরোনো ও নতুন পাসপোর্ট থাকতে হবে। পাশাপাশি নিশ্চিত বিমান টিকিটও দেখাতে হবে।

অবৈধ বাংলাদেশিদের বিশেষভাবে সতর্ক করে তরিকুল ইসলাম বলেন, পিআরএম ২.০-এর আবেদন প্রক্রিয়ায় কোনো দালাল বা তৃতীয় পক্ষকে অর্থ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কেউ অতিরিক্ত সুবিধা বা দ্রুত কাজ করে দেওয়ার কথা বলে টাকা দাবি করলে তাদের থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মালয়েশিয়াজুড়ে অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্তে ইমিগ্রেশন বিভাগের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে গ্রেফতার হওয়ার আগে সরকারি প্রত্যাবাসন কর্মসূচির মাধ্যমে দেশে ফিরে যাওয়ার সুযোগ নিতে বাংলাদেশিদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে হাইকমিশন। একই সঙ্গে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা না করে সংশ্লিষ্ট ইমিগ্রেশন অফিস এবং বাংলাদেশ হাইকমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করে কর্মসূচির সর্বশেষ নিয়ম ও তথ্য জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।