বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিদ্যমান সামরিক ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও বেগবান ও সুদৃঢ় করার বিষয়ে একমত হয়েছে উভয় পক্ষ। বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের উন্নত পেশাগত প্রশিক্ষণ, সামরিক শিক্ষা বিনিময় এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের কার্যালয়ে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। সাক্ষাৎকালে আধুনিক সামরিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ ও চীনের পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রশিক্ষণ সহযোগিতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
উভয় পক্ষ মনে করেন, এ ধরনের সহযোগিতা দুই দেশের প্রতিরক্ষা সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা দুই দেশের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব ও কৌশলগত অংশীদারিত্বের কথা স্মরণ করেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় চীনের সহযোগিতার প্রশংসা করে ভবিষ্যতে এ সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
অন্যদিকে, চীনের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা খাতের আধুনিকায়নে চীনের অব্যাহত সমর্থনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। বৈঠকে উভয় পক্ষ ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও চীনের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও বিস্তৃত ও গভীর করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

















