জনপ্রশাসন ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী বলেছেন, সার বিতরণে কিছু সমস্যা দেখা দিলেও দেশে বা জয়পুরহাটে সারের কোনো সংকট নেই। কৃষকদের চাহিদা পূরণে পর্যাপ্ত সার মজুদ রয়েছে এবং স্বাভাবিক বরাদ্দের পাশাপাশি অতিরিক্ত ৪ হাজার মেট্রিক টন সার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকাল ১০টায় কালাই উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে কালাই, ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুর উপজেলার কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার ইতোমধ্যে সার উত্তোলন ও বিতরণে নতুন নীতিমালা জারি করেছে। জেলা প্রশাসন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সেই কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী সার বিতরণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছেন, যাতে কৃষকরা নির্ধারিত মূল্যে সহজে সার পান।
তিনি আরও বলেন, কিছু ক্ষেত্রে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি এবং কয়েকজন অসাধু ডিলারের সময়মতো সার উত্তোলন ও বাজারজাত না করার কারণে সাময়িকভাবে কিছু সারের দাম বেড়েছিল। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। আব্দুল বারী জানান, ইউরিয়া সারের ব্যবহার এখন তুলনামূলক কম হলেও আলু চাষের মৌসুমকে সামনে রেখে অনেক কৃষক অতিরিক্ত সার সংগ্রহের চেষ্টা করছেন।
এ কারণে কিছু সারের চাহিদা সাময়িকভাবে বেড়েছে। বিষয়টি সরকার পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইউরিয়া ও নন-ইউরিয়া—কোনো ধরনের সারের ঘাটতি নেই। কোথাও কেউ অনিয়ম বা ব্যর্থতার সঙ্গে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন জয়পুরহাটের জেলা প্রশাসক আল মামুন মিয়া, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মনজু আলম সরকার, কালাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ, ক্ষেতলাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির মুন্সী, কালাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হারুনূর রশিদ, ক্ষেতলাল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মল্লিকা রানী, আক্কেলপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান হোসেনসহ স্থানীয় প্রশাসন ও বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

















