মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলা খাদ্যগুদামে (এলএসডি) মজুতকৃত খাদ্যশস্যের হিসাব ও প্রকৃত মজুতের মধ্যে অমিল পাওয়ায় দুই কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে খাদ্য অধিদপ্তর। একই সঙ্গে এই ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার প্রক্রিয়াও শুরু করা হয়েছে।
বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন ঘিওর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ফারহানা আক্তার এবং ঘিওর এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও খাদ্য পরিদর্শক শ্রী বিপুল কুমার। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) খাদ্য অধিদপ্তরের সংস্থাপন শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
খাদ্য পরিদর্শক তথা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ঘিওর এলএসডি, মানিকগঞ্জ (খাদ্য পরিদর্শক, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, তালতলী, বরগুনায় বদলির আদেশাধীন) শ্রী বিপুল কুমার এর বিরুদ্ধে প্রশাসন বিভাগ, খাদ্য অধিদপ্তরের গঠিত কমিটি গত ২৫ আগস্ট ৪৯০ নং স্মারকে ঘিওর এলএসডিতে মজুত যাচাইয়ের সময় সরকারি হিসাবের তুলনায় ১০০ টন চাল ও ২০ টন গম কম পাওয়া যায়।
বিপরীতে ৪১ টন ধান বেশি পাওয়া যায়। এছাড়া বস্তা কম পাওয়া গেছে ৬ হাজার ৫০০টি। খাদ্য অধিদপ্তরের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিভাগীয় কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার স্বার্থে মানিকগঞ্জের ঘিওর এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও খাদ্য পরিদর্শক শ্রী বিপুল কুমারকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে খাদ্য অধিদপ্তর। তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর আওতায় অসদাচরণের অভিযোগে বিভাগীয় মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলছে।
অভিযোগের প্রকৃতি ও গুরুতরতা বিবেচনায় একই বিধিমালার ১২ ধারায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে। সাময়িক বরখাস্তকালীন তিনি বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা পাবেন।

















