যশোরের চৌগাছায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে প্রায় ১৩ হাজার ৫৫০ কেজি সার জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত সারের খুচরা বাজারমূল্য ৩ লাখ ৫৩ হাজার ৩৫০ টাকা। একই সঙ্গে বৈধ লাইসেন্স ছাড়া বিপুল পরিমাণ সার মজুদের দায়ে খাইরুল ইসলাম (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে চৌগাছা পৌর শহরের পারবাজার এলাকায় খাইরুল ইসলামের দোকানে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জি. এম. এ. মুনিব। অভিযানকালে খাইরুল ইসলাম সার বিক্রির কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। তার গুদামে ২৮ বস্তা এমওপি, ১৪৭ বস্তা টিএসপি, ৯ বস্তা ডিএপি এবং ৮৭ বস্তা ইউরিয়াসহ মোট ২৭১ বস্তা সার মজুদ পাওয়া যায়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত জব্দকৃত সার সরকারি নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের কাছে বিক্রি করে অর্থ রাজস্ব কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬-এর ১২ ও ১৮ ধারায় খাইরুল ইসলামকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের বিধান থাকলেও তিনি তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার অর্থ পরিশোধ করেন এবং ভবিষ্যতে অবৈধভাবে সার মজুদ বা ব্যবসা করবেন না মর্মে মুচলেকা দেন।
অভিযানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুসাব্বির হুসাইন, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, চৌগাছা থানার এসআই হোসেন পাটোয়ারী, বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সেলিম রেজা আওলিয়ার, সার ডিলার সমিতির সভাপতি ইউনূস আলীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে, ২৫ আগস্ট চৌগাছা থেকে অবৈধভাবে অন্যত্র সার পাচারের সময় ৩৭ বস্তা টিএসপি, ইউরিয়া, ডিএপি ও এমওপি সার আটক করা হয়।
ওই সারের খুচরা মূল্য ছিল প্রায় ৪৫ হাজার টাকা। সেগুলোও সরকারি মূল্যে কৃষকদের কাছে বিক্রি করে রাজস্বে জমা দেওয়া হয় এবং পরিবহনের দায়ে একটি আলমসাধু চালককে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছিল।





















