কিশোরগঞ্জের ভৈরবে দুর্বৃত্তদের এলোপাতাড়ি কোপে ১নং ওয়ার্ডের সাবেক পৌর কাউন্সিলর ও পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আল আমিন সৈকত (৪৩) নিহত হয়েছেন। ২৩ আগস্ট রোববার রাত ১২টায় পৌর শহরের টিন বাজার এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিহতের চাচাতো ভাই আরফাত হোসেন বড় মিয়া। নিহত আল আমিন সৈকত পৌর শহরের আড়াই ব্যপারি বাড়ির মৃত জসিম উদ্দিনের ছেলে। তার মৃত্যুতে ভৈরব শহরের ও নিহতের পািবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। জানা যায়, ২৩ আগস্ট রোববার রাত ১২টায় নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে পৌর শহরের রানীর বাজার শাহী মসজিদের পিছে নিজ বাসায় যাওয়ার পথে ৩-৪ জন দুর্বৃত্ত অতর্কিত হামলা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে৷ এ সময় এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে তার অবস্থার অবনতি দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে দ্রুত ঢাকায় নিতে বলেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথিমধ্যে সে মৃত্যুবরণ করেন। এ বিষয়ে নিহতের চাচাতো ভাই আরাফাত হোসেন বড় মিয়া বলেন, আল-আমিন সৈকতের পারিবারিক দ্বন্দ্বসহ তার রাজনৈতিক শত্রুও থাকতে পারে। তবে কে বা কাহারা কেন তাকে হত্যা করেছে এই মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না। নিহতের পরিবারে দুই ছেলে দুই মেয়ে রয়েছে। আল আমিন সৈকত নিজেই তার পরিবারের বড় সন্তান।
তার একজন ছোট ভাই রয়েছে। সে ভৈরব বাজারের একজন প্রতিষ্ঠিত সার ও ধান ব্যবসায়ী। তা ছাড়া পৌর ১নং ওয়ার্ড এর সাবেক কাউন্সিলর ছিলেন। সেই সাথে ভৈরব চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক পরিচালকেরও দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ যুবলীগ ভৈরব পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে আছেন। এ বিষয় ভৈরব শহর ফাঁড়ির এসআই নুরুল হুদা বলেন, খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়।
সাবেক কাউন্সিলার আল আমিন আহত হয়েছে খবর পেলেও তাৎক্ষণিক তাকে পাওয়া যায়নি। তবে জানতে পেরেছি সে মৃত্যুবরণ করেছেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে। সেখান থেকে মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে নিয়ে আসা হবে। এই বিষয়ে নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

















