রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখবেন বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন রাজনৈতিক নেতারা। তারা মনে করেন, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে আসীন থেকে গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও সাংবিধানিক ভারসাম্য রক্ষায় অবদান রাখবেন রাষ্ট্রপ্রধান। শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে নেতারা এই প্রতিক্রিয়া জানান।
রাজনীতির মাঠ থেকে বঙ্গভবনে। শুক্রবার সন্ধ্যায় দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিএনপির মহাসচিব থেকে রাষ্ট্রের অভিভাবকের ভূমিকায় বদলে গেছে দায়িত্বের পরিধিও।
সরকারি দলের নেতাদের প্রত্যাশা, রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মর্যাদা সমুন্নত রাখবেন। পাশাপাশি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখবেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘মহামান্য রাষ্ট্রপতি যিনি হলেন তাঁর কাছ থেকে দেশবাসী সব ধরনের সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে তিনি এবং দেশের অভিভাবক হিসেবে তিনি কাজ করবেন।’
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘স্বচ্ছ নির্বাচনের মাধ্যমে একজন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন। এটি হয়েছে জনগণের সামনে। এইখানে আমরা গণতন্ত্রের স্পিরিটটা দেখতে পাচ্ছি, যেটার জন্য মানুষ এত ত্যাগ স্বীকার করেছেন।’
আর বিরোধীদলের প্রত্যাশা, রাষ্ট্রপতি হবেন সব দলমতের ঊর্ধ্বে। বিরোধী মতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও সাংবিধানিক ভারসাম্য রক্ষায় ভূমিকা রাখবেন রাষ্ট্রপ্রধান।
বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের একসাথে কাজ করার স্মৃতিগুলো আনন্দ জোগায় যে এই রকম একজন মানুষ, ভালো জায়গায় তিনি এসেছেন। যেহেতু তিনি পোড় খাওয়া মানুষ, আমরা আশা করবো জাতির কাছে তিনি ইনসাফের ব্যতিক্রম কিছু হবে না, তিনি ইনসাফের ভিত্তিতে সবার সাথে আচরণ করবেন।
রাজনীতির মাঠের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বঙ্গভবন হোক জাতীয় ঐক্য ও সাংবিধানিক ভারসাম্যের প্রতীক। রাষ্ট্রপতি হবেন দল-মতের ঊর্ধ্বে রাষ্ট্রের অভিভাবক, এটাই সবার প্রত্যাশা।















