আজ মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৩০ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ০২ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
পরিষ্কার আকাশ
৩০°C
সর্বোচ্চ: ৩৪°C
সর্বনিম্ন: ২৭°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৭৩%

পাঁচ গ্রামের মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো

  • MIT ERP
  • Update Time : 06:27:37 am, Tuesday, 15 September 2026
  • 15

পাঁচ গ্রামের মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

খোকসা উপজেলার ওসমানপুর ইউনিয়নের হেলালপুর-খানপুর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ খালের ওপর এখনো সেতু নির্মিত হয়নি। চলাচলের ভরসা তাই বাঁশের সাঁকো। আর এই সাঁকোতে ঘটে চলেছে দুর্ঘটনা। বছরের পর বছর ধরে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন ওসমানপুর ইউনিয়নের হেলালপুর, খানপুর, আদর্শগ্রামসহ আশপাশের পাঁচ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ।

জানা গেছে, শুকনো মৌসুমে খালের ভিতর দিয়ে হেঁটে পার হতে হয়। তবে বর্ষা মৌসুমে খালে পানি থাকে। সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হয়। স্থানীয়রা জানান, বর্ষায় সাঁকো পিচ্ছিল হয়। ছোট বাচ্চাকে কোলে নিয়ে পার হতে গিয়ে অনেকেই পড়ে যায়। একটা সেতু না থাকায় রাস্তা ঘুরে যেতে হয়। ছেলেমেয়েরা স্কুলে যেতে ভয় পায়। মালপত্র নিয়ে সাঁকো পার হওয়া যায় না। ব্যবসাবাণিজ্য বন্ধ। চলাফেরায় খুব কষ্ট। এত বছর ধরে শুধু আশ্বাসই পেয়েছি। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম বলেন, এরই মধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মাপজোকের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। সেখানে একটি ৪০ ফুট দৈর্ঘ্যরে ত্রিভ্যান বক্স কালভার্ট নির্মাণের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলেই খুব দ্রুতই কাজ করা হবে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

পাঁচ গ্রামের মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো

পাঁচ গ্রামের মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো

Update Time : 06:27:37 am, Tuesday, 15 September 2026

খোকসা উপজেলার ওসমানপুর ইউনিয়নের হেলালপুর-খানপুর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ খালের ওপর এখনো সেতু নির্মিত হয়নি। চলাচলের ভরসা তাই বাঁশের সাঁকো। আর এই সাঁকোতে ঘটে চলেছে দুর্ঘটনা। বছরের পর বছর ধরে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন ওসমানপুর ইউনিয়নের হেলালপুর, খানপুর, আদর্শগ্রামসহ আশপাশের পাঁচ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ।

জানা গেছে, শুকনো মৌসুমে খালের ভিতর দিয়ে হেঁটে পার হতে হয়। তবে বর্ষা মৌসুমে খালে পানি থাকে। সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হয়। স্থানীয়রা জানান, বর্ষায় সাঁকো পিচ্ছিল হয়। ছোট বাচ্চাকে কোলে নিয়ে পার হতে গিয়ে অনেকেই পড়ে যায়। একটা সেতু না থাকায় রাস্তা ঘুরে যেতে হয়। ছেলেমেয়েরা স্কুলে যেতে ভয় পায়। মালপত্র নিয়ে সাঁকো পার হওয়া যায় না। ব্যবসাবাণিজ্য বন্ধ। চলাফেরায় খুব কষ্ট। এত বছর ধরে শুধু আশ্বাসই পেয়েছি। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম বলেন, এরই মধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মাপজোকের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। সেখানে একটি ৪০ ফুট দৈর্ঘ্যরে ত্রিভ্যান বক্স কালভার্ট নির্মাণের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলেই খুব দ্রুতই কাজ করা হবে।