ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তাঁর শাসনকালে সন্তুষ্ট করে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) মূল্যবান প্লট নামমাত্র মূল্যে হাতিয়ে নিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একাধিক কর্মকর্তা।
প্লট ‘উপহার’প্রাপ্তদের তালিকায় রয়েছেন সরকারি বিভিন্ন পদের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ব্যবসায়ীরাও। এমনকি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আন্দোলন দমনে গণহত্যায় নেতৃত্ব দেওয়া একাধিক পুলিশ কর্মকর্তাও প্লট পেয়েছেন উপহার হিসেবে। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে নিজেদের আওয়ামী লীগ সরকারের অনুসারী হিসেবে মিথ্যা তথ্য দিয়ে নেওয়া এমন ২১৪টি প্লটের বিষয়ে উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে রাজউক।
এদিকে এসব প্লটের বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত কী হবে, তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। রাজউক বলছে, বিশেষ বিবেচনায় বরাদ্দ দেওয়া প্লটগুলো বাতিল হবে, নাকি থাকবে— সেই সিদ্ধান্তের জন্য তারা আদালতের নির্দেশনার অপেক্ষায় রয়েছে। নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নামে নিয়মবহির্ভূতভাবে প্লট নেওয়ার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের ছয় মামলায় এরই মধ্যে শেখ হাসিনার ৩৬ বছরের সাজা হয়েছে।
তবে তার পছন্দের যে ২১৪ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আওয়ামী লীগ নেতা, সাংবাদিক, ব্যবসায়ীরা প্লট নিয়েছেন— সেই সব প্লট নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কোনো অনুসন্ধানের উদ্যোগ নেয়নি। সূত্র জানায়, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার আগে পর্যন্ত আওয়ামী লীগের অনুসারী পরিচয়ে অনেক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী শেখ হাসিনার আস্থা অর্জন করেছেন।
তারা নানা অনিয়ম-দুর্নীতি করে হাসিনা সরকারকে সহায়তা করেছেন; বিশেষ করে ২০১৪ সালে একতরফা নির্বাচনে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখতে তারা মুখ্য ভূমিকা পালন করেন। তথ্য অনুসারে, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের জুলাই পর্যন্ত রাজউকের বিভিন্ন আবাসিক প্রকল্পে প্লট বরাদ্দ পান সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী ও বিশিষ্টজনেরা। অভিযোগ রয়েছে, এসব বরাদ্দ দেওয়া হয় রাজনৈতিক বিবেচনায়।
অথচ উল্লেখ করা হয়, রাষ্ট্রের জন্য ‘বিশেষ অবদান’-এর স্বীকৃতিস্বরূপ তাদের প্লট দেওয়া হয়েছে। সূত্র জানায়, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পিয়ন, গাড়িচালক, পিএস, এপিএস, রাজউক, গৃহায়ন ও পূর্ত মন্ত্রণালয়সহ আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী ব্যক্তিরা এসব প্লট ভাগ-বাটোয়ারা করে নেন।
‘বিশেষ অবদান’-এর এই প্লট পেয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, সিআইডির সাবেক প্রধান ও অতিরিক্ত আইজিপি মোহাম্মদ আলী মিয়া, রংপুর রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি প্রধান আব্দুল বাতেন এবং বহুল আলোচিত ডিএমপির সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার। এ ছাড়া ডিএমপির ডিবিপ্রধান হারুন উর রশীদ প্লট নিয়েছেন তার মায়ের নামে। জালিয়াতি করে নেওয়া এসব প্লটের বিষয়ে সিদ্ধান্ত কী— জানতে চাইলে রাজউকের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম রিজু বলেন, ‘আমরা উচ্চ আদালতের নির্দেশে কাজ করছি।
এর আগে উচ্চ আদালত এ বিষয়ে একটি কমিটি করে দিয়েছিলেন। তারা প্লটগুলো চিহ্নিত করে মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছে। এখন আদালত যেভাবে সিদ্ধান্ত দেবেন, আমরা সেভাবে বাস্তবায়ন করব। ’ রাউজক জানায়, আওয়ামী লীগের সময় অনিয়মের মাধ্যমে বরাদ্দ পাওয়া প্লটের তথ্য খুঁজতে ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক মহ. মনিরুজ্জামানকে চেয়ারম্যান করে তিন সদস্যের কমিটি করা হয়।
কমিটির অন্য দুই সদস্য ছিলেন ঢাকা ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী আলমগীর হাসিন এবং রাজউকের সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ)। কমিটি এরই মধ্যে যাচাই-বাছাই করে প্রায় ২১৪টি প্লট বাতিলের সুপারিশ করেছে। রাজউক থেকে প্রাপ্ত তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, দেশের জন্য বিশেষ অবদানের কোটায় রাজউকের প্লট পেয়েছেন গণভবনের কয়েকজন কর্মচারী। তাদের মধ্যে উত্তরা প্রকল্পে প্লট পান মিজানুর রহমান মিন্টু ও শেখ লোকমান।
এ ছাড়া চিত্রনায়িকা অরুণা বিশ্বাস, অঞ্জনা সুলতানা, অভিনেত্রী ও সংসদ-সদস্য সুবর্ণা মোস্তাফা, জয়া আহসান, শমী কায়সার, কবি অসিম কুমার সাহা ও মিনা বড়ুয়াও প্লট পেয়েছেন। রাজউক কর্মকর্তারা জানান, উচ্চ আদালতের করে দেওয়া কমিটি পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ৯৪৪টি, ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্পে ২৬০টি, উত্তরা আদর্শ শহর প্রকল্পে ২২১টিসহ মোট ১ হাজার ৪২৬টি প্লটের তালিকা করেছে।
এর মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে ২১৪টির মতো প্লট বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে। বিশেষ অবদানের প্লট বরাদ্দ যাদের নামে : আওয়ামী লীগ আমলে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত রাজউক আইনের ১৩/এ (১) সি (সরকারের বিশেষ অবদান বা সংরক্ষিত কোটায় প্লট বরাদ্দ) ও ০৭ (৩) (ঘ) ধারায় লিজ দলিল, হস্তান্তর করা হয়েছে বেশ কিছু প্লট। বরাদ্দপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন রাজনীতিক, ব্যাংকার, আইনজীবী, অভিনেত্রী, সাংবাদিক, বেসরকারি চাকরিজীবী, মুক্তিযোদ্ধা ও অন্যান্য কোটার প্লটগ্রহীতা।
বরাদ্দপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন— জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল বারাকাত, সাংবাদিক মিথিলা ফারজানা, সাংবাদিক সাজেদা পারভীন, ব্যবসায়ী হাবীবুর রহমান, মো. গোলাম মোস্তফা, মুক্তিযোদ্ধা ওয়াহিদুজ্জামান আলমগীর, মো. আজিজুর রহমান, ব্যবসায়ী শাহীনা আক্তার, সুলতানা নিলুফার জাহান, রাকিয়া সুলতানা, শেফালী বেগম, সাবেক এমপি বেগম মাহবুব আরা গিনি, ব্যবসায়ী মাজহারুল আলম, মাহবুবুর রহমান, চিকিৎসক ডা. মো. আব্দুল আজিজ, বেসরকারি চাকরিজীবী সাবরিনা সাদেক, সাবেক এমপি বিএম নজরুল ইসলাম, ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী, হাসিনা কিবরিয়া, মুক্তিযোদ্ধা মো. আবুল হোসেন, বেসরকারি চাকরিজীবী খন্দকার মনোয়ার মোর্শেদ, রবিউল আফতাব, সাবেক মন্ত্রী আব্দুর রহমানের মেয়ে ইভানা রহমান, ব্যবসায়ী ডলি ইকবাল, সাবেক এমপি জিন্নাতুল বাকিয়া, গাইনি কনসালট্যান্ট ডা. মাহমুদা বেগম, ব্যবসায়ী একেএম শহিদুল্লাহ, মুন্সিগঞ্জ উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সোহেলা পারভীন ভানু, ঢাকা সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফরিদ উদ্দিন আহমেদ (রতন), আইনজীবী অ্যাডভোকেট হাবীবুর রহমান, ব্যবসায়ী শারমিন ইসলাম, সাবেক এমপি নাজমা আক্তার, ঢাকা মহানগর পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার হারুন উর রশীদের মা জহুরা খাতুন (গৃহিণী), ব্যবসায়ী শাহানারা বেগম, গোপালগঞ্জের আব্দুল কাদের মোল্লার মেয়ে নাসিমা বেগম, কুমিল্লার সাবেক এমপি আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ সাকীব বাদশা, সূত্রাপুর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গাজী আবু সাঈদ, মোহাম্মদপুরের গৃহিণী মেহেরুন নাহার বেগম, অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস, সাবেক এমপি মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, আওয়ামী লীগের অফিস সহকারী (পিয়ন) মিজানুর রহমান মিন্টু ও শেখ লোকমান, ঢাকা মহানগর উত্তর মহিলা লীগের সদস্য পারুল আক্তার, সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদ, বেগম ফজিলাতুন্নেসা ইন্দিরা, ব্যবসায়ী মো. টিপু গং, আইনজীবী আফসার উদ্দিন খান, ব্যবসায়ী ড. আওলাদ হোসেন, বেসরকারি চাকরিজীবী মিসেস আম্বিয়া খানম, মো. আবুল বাশার খান, বিমেস বাদল আকন্দ (স্মৃতি ঢালী), সাবেক এমপি সামসুজ্জোহার স্ত্রী নাগিনা জোহা, ব্যবসায়ী তাহসিন সিদ্দিকী, মো. গোলাম রাব্বী, সাখাওয়াত উল্লাহ, সাবেক এমপি একেএম এনামুল হক, ব্যবসায়ী কামরুন নাহার, সাবেক গণপরিষদ সদস্যের স্ত্রী ফরিদা আক্তার কাউছার, ব্যবসায়ী সৈয়দ মুসা আরিফ, বিপুল ঘোষ শংকর, মো. মনিরুল ইসলাম, কদর উদ্দিন, মাহবুবুর রহমান ভূঁইয়া, মির্জা গোস্বামী, কক্সবাজারের চকরিয়া থানা মহিলা লীগের সদস্য হাছিনা বেগম, সাবেক এমপি তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ ও মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক মনোরঞ্জন ঘোষাল।
এ ছাড়া বিশেষ অবদানের প্লট পেয়েছেন মনিরুন্নেছা, ব্যবসায়ী মো. আফজারুল করিম, বেসরকারি চাকরিজীবী মং থোয়াই চিং, কবি অসিম কুমার সাহা, ব্যবসায়ী মোল্লা ফজলুর রহমান, গৃহিণী সৈয়দা সালমা হক, আইনজীবী ফরহাদ আহম্মেদ, মুক্তিযোদ্ধা সুখরঞ্জন ব্যাপারী, বেসরকারি চাকরিজীবী মো. শাহজাহান মিয়া, আইনজীবী সফিকুল আলম, চিত্রনায়িকা অঞ্জনা সুলতানা, সাবেক এমপি শাদাব আকবর চৌধুরী লাবু, মুক্তিযোদ্ধা সানোয়ার খান, সাবেক মহিলা এমপি সুবর্ণা মোস্তফা, ডিজিএফআইয়ের হামিদুর রহমানের স্ত্রী ফারহানা সিদ্দিকি, বেসকারি চাকরিজীবী রাসেল আক্তার, নাসিমা আক্তার, সাবেক এমপিপুত্র ড. মকবুল কাদের কোরাইশী, রাজনৈতিক বিবেচনায় হিজড়া প্রতিবন্ধী মো. রফিকুল ইসলাম ও মো. সামসু, ’৬৯-এর শহীদ মতিউর রহমানের বাবা আজহার আলী মল্লিক, লক্ষ্মীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. তোজাম্মেল হক দুলাল, বেসরকারি চাকরিজীবী শাহ আলম, ব্যবসায়ী গাজী লুৎফুল কবির (রেণু), আইনজীবী শেখ মো. আবু সাঈদ, সাবেক এমপি ফজলে হোসেন বাদশা, ব্যবসায়ী মিসেস নাসরিন বেগম ওরফে সৈয়দা নাসরিন বেগম, বেসরকারি চাকরিজীবী জাহিদুল হক গং, হেলেনা বেগম, ব্যবসায়ী নূরুল হুদা, মো. সাচ্চু মিয়া, সাবেক এমপি ইকবালুর রহমান ও সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন সিকদার।
সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে বরাদ্দ ৯৬ প্লট : রাষ্ট্রের জন্য বিশেষ অবদানের জন্য সরকারি চাকরিজীবী কোটায় প্লট নিয়েছেন ৯৬ জন।
তারা হলেন— সাবিহা পারভীন, ডা. একেএম শরিফুল হাসান, মেজর (অব.) শোয়েক মো. তারিখ উল্লাহ, ডা. আবদুল আজিজ, স্কোয়াড্রন লিডার আবদুল্লাহ আল মামুন, চৌধুরী মো. জিয়াউল কবির, সাবেক অতিরিক্ত আইজি ও সিআইডি প্রধান মোহাম্মদ আলী মিয়া, ঢাকার সাবেক পুলিশ কমিশনার হাবীবুর রহমান, মীর মঞ্জুর রহমান, সাবেক অতিরিক্ত সচিব উম্মে সালমা তানিয়া, ফয়েজ আহম্মদ, সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. নাজমুছ সাদাত সেলিম, সাবেক এমপি সাজ্জাদুল হাসান, শেখ হাসিনার সাবেক প্রটোকল অফিসার এসএম খুরশীদ আলম, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর এডিসি নাঈম হাসান ও মোহাম্মদ ইলিয়াস রাসেল, গৃহায়ণ ও পূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপসচিব শায়লা ফারজানা, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর অ্যাসাইনমেন্ট অফিসার গাজী হাফিজুর রহমান লিকু, বেগম ফাতেমা ইয়াসমিন ইভা, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব মো. আল মামুন, সাবেক ডিআইজি (ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার-ডিবি) আব্দুল বাতেন মিয়া, অবরপ্রাপ্ত চাকরিজীবী চুয়াডাঙ্গার বেগম শরিফা রশীদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক এনডিসি ড. নমিতা হালদার, অ্যাসাইনমেন্ট অফিসার মোহাম্মদ শামীম মুশফিক, আরিফুজ্জামান নূরন্নবী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. মকবুল হোসেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব নূর এলাহি মিনা, উপপ্রেস সচিব মো. নজরুল ইসলাম, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব ফয়েজ আহম্মদ ও ডা. তাহমিনা সুলতানা, বাংলাদেশ রেলওয়ের সাবেক ডিজি মো. আমজাদ হোসাইন, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সাবিহা পারভীন, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. সাঈদ নূর আলম, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব একেএম আলী আজম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন, পূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. অলিউল্লাহ, গৃহায়ণ ও পূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শাসছুন্নাহার ও মোল্লা খসরুজ্জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি আক্তারুজ্জামান, এলজিইডির সাবেক প্রধান প্রকৌশলী শেখ মো. মহসিন, আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি জাফর সিদ্দিক, সাবেক সচিব মো. লোকমান হোসেন, রাজউকের সাবেক সদস্য মেজর সামসুদ্দিন আহম্মদ, গৃহায়ণ ও পূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক যুগ্ম সচিব মো. মোতাহার হোসেন, শেখ নূর মোহাম্মদ, অতিরিক্ত সচিব মো. হাফিজুর রহমান, সাবেক সচিব কাজী ওয়াছিউদ্দিন, সাবেক উপসচিব রকিবুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব মো. শওকত আলী, আহসান হাবীব তালুকদার, মো. আরিফুর রহমান, যুগ্ম সচিব খুরশিদ আলম, রাজউকের সাবেক সদস্য মো. নাসির উদ্দিন, মো. নূরুল ইসলাম, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব কাজী শাহজাহান, যুগ্ম সচিব আ ন ম নাজিম উদ্দিন, সাবেক অতিরিক্ত সচিব বেগম জোবাইদা রহমান, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মো. খলিলুর রহমান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব সত্যজিৎ কর্মকার, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকতার হোসেন, গৃহায়ণ ও পূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপসচিব হেমন্ত হেরী কুবি, এনএসআইর সাবেক ডিডি এসএম আকবর হোসেন, দুদকের সাবেক ডিজি মো. আসাদুজ্জামান, সাবেক সচিব লোকমান হোসেন মিয়া, সাবেক ভূমিমন্ত্রীর একান্ত সচিব সত্যব্রত সাহা, আরএইচডি বিভাগের সাবেক সচিব মো. মোজাম্মেল হক খান, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নার্সিং অফিসার মেজর নিলুফার আক্তার, রাজউকের সাবেক উপপরিচালক মো. কায়েসুজ্জামান, সরকারি চাকরিজীবী মনোজ কান্তি বড়াল, আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাবেক স্পিকারের পিএস এম এ কামাল বিল্লাহ, মাছুরা হোসেন, গণভবনের ব্যক্তিগত স্টাফ মো. শাহীন, বিজ্ঞানী ড. আব্দুল মজিদ, সাবেক প্রতিমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা সরোয়ার জাহান, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার জুনায়েদ শেখ গং, মোনজিলা ফারুক, সরকারি চাকরিজীবী মো. আনোয়ারুজ্জামান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক পরিচালক মো. আবদুল হালিম মোল্লা, সাবেক উপসচিব গীতা পাল, করপোরাল মো. আশরাফ আলী খান বীরপ্রতীক (অব.), ওয়াশিংটনে নিয়োজিত বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রটোকল সহকারী বখতিয়ার হোসেন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. আনিছুর রহমান মিয়া, সরকারি চাকরিজীবী ড. মো. আশরাফুল ইসলাম বাবুল, রাজউকের সাবেক ডিডি শফিউল আজম, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান বজরুল করিম চৌধুরী, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টার একান্ত সচিব একেএম শামসুল আলম, ডিএফপির ক্যামেরাম্যান মো. লুৎফর রহমান, আশ্রয়ণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক আবুল কালাম শামসুদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক পরিচালক বেগম ওয়াহিদা আক্তার, এস এম তরিকুল ইসলাম, রাজউকের ডিডি বাবুল মিয়া ও সাবেক যুগ্ম সচিব মো. মাসুম পাটোয়ারী।
আরও যারা পেয়েছেন : রাজউক থেকে মিথ্যা তথ্য নিয়ে বরাদ্দ নেওয়ার পর কিছু প্লটের লিজ দলিল নেওয়া হয়েছে। এই তালিকায় যাদের নাম রয়েছে তারা হলেন— সাবেক এমপি আনোয়ার হোসেন, লিয়াকত হোসেন রনি, মো. ফজলুর রহমান খান ফারুক, আমির হোসেন কালু, মো. সিরাজুল ইসলাম ও মোসাম্মৎ জিন্নাত আরা।
চূড়ান্ত বরাদ্দপত্র হয়নি যাদের নামে : এ ছাড়া সাময়িক বরাদ্দপত্র জারি হয়েছে, চূড়ান্ত বরাদ্দপত্র হয়নি— এই তালিকায় রয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন, উপসচিব হুমায়ুন কবির, গৃহায়ণের সাবেক সচিব নবিরুল ইসলাম, খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান, সাবেক অতিরিক্ত সচিব হামিদুর রহমান খান, সাবেক এমপি রাগেবুল আহসান রিপু ও হাইকোর্টের বিচারপতি আশীষ রঞ্জন দাস।



















