দেশের সব অপরাধী সিন্ডিকেটের গোপন আস্তানা চিহ্নিত করে তা উপড়ে ফেলার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। একই সঙ্গে রংপুরে শিক্ষক পরিবারে ঘটে যাওয়া নৃশংস ঘটনার পর দ্রুত অপরাধীকে গ্রেফতার করায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাজের প্রশংসা করেন তিনি।
বুধবার (২৬ আগস্ট) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দেখানো শান্তির পথ অনুসরণ করে দেশে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা ও আইনের শাসন নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর গুরুদায়িত্বের কথা উল্লেখ করে রিজভী বলেন, মানুষ শান্তিতে খেয়ে-পরে বাঁচতে চায়।
কোনো মাদকসেবী বা অপরাধী সিন্ডিকেট যতই ক্ষমতাশালী হোক না কেন, তাদের আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে। রিজভী বলেন, দেশের ছাত্র-জনতার উত্তাল গণঅভ্যুত্থানের মধ্যদিয়ে ১৭ বছরের স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের অবসান ঘটেছে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পর গঠিত বর্তমান সরকার প্রতিটি ক্ষেত্রে জনগণের কাছে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার সদস্যরা তৃণমূলের নেতাকর্মী, গণমাধ্যম এবং পার্লামেন্টে ধারাবাহিকভাবে জবাবদিহি করছেন, যা প্রকারান্তরে দেশের সাধারণ মানুষের কাছেই জবাবদিহি। মহানবী (সা.)-এর শান্তিময় পৃথিবীর বাণী ধারণ করে দেশে পূর্ণাঙ্গ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন রিজভী। অনুষ্ঠানে ইসলামিক পণ্ডিত ও স্কলারসহ দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী অংশ নেন।
পরে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, আব্দুস সালাম আজাদ, পানি সম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানিসহ বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।















