আজ মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৩১ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ০২ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
পরিষ্কার আকাশ
৩৫°C
সর্বোচ্চ: ৩৫°C
সর্বনিম্ন: ২৮°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৬০%

বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ারে চ্যাম্পিয়ন গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

  • MIT ERP
  • Update Time : 01:12:58 pm, Tuesday, 15 September 2026
  • 11

বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ারে চ্যাম্পিয়ন গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

গবেষণা, উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতায় অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬’-এর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাটাগরিতে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (গাকৃবি)।

বিশ্ববিখ্যাত টাইমস হায়ার এডুকেশন (টিএইচই), কোয়াককোয়ারেলি সাইমন্ডস (কিউএস) ও ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিংস ফর ইনোভেশনে (উরি) আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্কিংসমূহের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে জাতীয়ভাবে শীর্ষস্থান এবং বৈশ্বিক পর্যায়ে গৌরবময় অবস্থান নিশ্চিতকারী গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এ অনবদ্য রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির মাধ্যমে আবারও তার শ্রেষ্ঠত্বের স্বাক্ষর রাখল।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো গত ১২ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর ঢাকার নভোথিয়েটারে অনুষ্ঠিত ইনোভেশন ফেয়ারে অসামান্য স্বীকৃতি অর্জন করে গাকৃবি। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমানের গতিশীল ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের এই গৌরবময় অর্জন সম্ভব হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় এ গুরুত্বপূর্ণ সাফল্যে উপাচার্য সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এ অসাধারণ অর্জনের কৃতিত্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবক, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং গবেষণাগার ও মাঠ পর্যায়ের সব কর্মীর সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও নিরলস পরিশ্রমের ফল। উপাচার্য আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবনসমূহ বাংলাদেশের কৃষিখাতের আধুনিকায়ন, উন্নয়ন ও টেকসই অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং দেশের খাদ্য ও কৃষি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে কার্যকর অবদান রাখবে।

তা ছাড়া গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান উদ্ভাবন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত ‘সমৃদ্ধ বাংলাদেশ’ গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ‘Innovate to Market’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত মেলায় দেশের প্রায় সব সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় তাদের উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি প্রদর্শন করে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রায় ১ হাজারেরও বেশি উদ্ভাবনী প্রযুক্তি প্রদর্শন করে।

বিজ্ঞান মেলায় এ পর্যন্ত গাকৃবি উদ্ভাবিত ৯৭টি জাত ও ২০টির অধিক প্রযুক্তির মধ্য থেকে নির্বাচিত শীর্ষ ১২টি জাত ও প্রযুক্তি উপস্থাপন করে বিশ্ববিদ্যালয়টি। কৃষি, গবেষণা ও খাদ্যনিরাপত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গাকৃবির এসব উদ্ভাবনী প্রযুক্তিগুলোর বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব, বাস্তব প্রয়োগযোগ্যতা, সৃজনশীলতা এবং বাণিজ্যিক সম্ভাবনা, দর্শনার্থী, শিল্প উদ্যোক্তা ও সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের ব্যাপকভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবনের সঙ্গে তুলনামূলক মূল্যায়নে গাকৃবির প্রযুক্তিগুলোকে অধিক সম্ভাবনাময় ও জনকল্যাণমুখী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৪ সেপ্টেম্বর (সোমবার) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাটাগরিতে গাকৃবিকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়।

চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বীকৃতিস্বরূপ প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমানের হাতে এ সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য উদ্ভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

জুলাই অভ্যুত্থানের মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ সাত নেতার মৃত্যুদণ্ড

বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ারে চ্যাম্পিয়ন গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

Update Time : 01:12:58 pm, Tuesday, 15 September 2026

গবেষণা, উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতায় অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬’-এর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাটাগরিতে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (গাকৃবি)।

বিশ্ববিখ্যাত টাইমস হায়ার এডুকেশন (টিএইচই), কোয়াককোয়ারেলি সাইমন্ডস (কিউএস) ও ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিংস ফর ইনোভেশনে (উরি) আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্কিংসমূহের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে জাতীয়ভাবে শীর্ষস্থান এবং বৈশ্বিক পর্যায়ে গৌরবময় অবস্থান নিশ্চিতকারী গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এ অনবদ্য রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির মাধ্যমে আবারও তার শ্রেষ্ঠত্বের স্বাক্ষর রাখল।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো গত ১২ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর ঢাকার নভোথিয়েটারে অনুষ্ঠিত ইনোভেশন ফেয়ারে অসামান্য স্বীকৃতি অর্জন করে গাকৃবি। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমানের গতিশীল ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের এই গৌরবময় অর্জন সম্ভব হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় এ গুরুত্বপূর্ণ সাফল্যে উপাচার্য সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এ অসাধারণ অর্জনের কৃতিত্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবক, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং গবেষণাগার ও মাঠ পর্যায়ের সব কর্মীর সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও নিরলস পরিশ্রমের ফল। উপাচার্য আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবনসমূহ বাংলাদেশের কৃষিখাতের আধুনিকায়ন, উন্নয়ন ও টেকসই অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং দেশের খাদ্য ও কৃষি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে কার্যকর অবদান রাখবে।

তা ছাড়া গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান উদ্ভাবন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত ‘সমৃদ্ধ বাংলাদেশ’ গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ‘Innovate to Market’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত মেলায় দেশের প্রায় সব সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় তাদের উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি প্রদর্শন করে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রায় ১ হাজারেরও বেশি উদ্ভাবনী প্রযুক্তি প্রদর্শন করে।

বিজ্ঞান মেলায় এ পর্যন্ত গাকৃবি উদ্ভাবিত ৯৭টি জাত ও ২০টির অধিক প্রযুক্তির মধ্য থেকে নির্বাচিত শীর্ষ ১২টি জাত ও প্রযুক্তি উপস্থাপন করে বিশ্ববিদ্যালয়টি। কৃষি, গবেষণা ও খাদ্যনিরাপত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গাকৃবির এসব উদ্ভাবনী প্রযুক্তিগুলোর বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব, বাস্তব প্রয়োগযোগ্যতা, সৃজনশীলতা এবং বাণিজ্যিক সম্ভাবনা, দর্শনার্থী, শিল্প উদ্যোক্তা ও সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের ব্যাপকভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবনের সঙ্গে তুলনামূলক মূল্যায়নে গাকৃবির প্রযুক্তিগুলোকে অধিক সম্ভাবনাময় ও জনকল্যাণমুখী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৪ সেপ্টেম্বর (সোমবার) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাটাগরিতে গাকৃবিকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়।

চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বীকৃতিস্বরূপ প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমানের হাতে এ সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য উদ্ভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।