কক্সবাজারের রামু উপজেলার রাজারকুলে আদর্শ শিক্ষক মরহুম করিম দাদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্তসহ কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ শতাধিক শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের সাফল্যের স্বীকৃতি দেওয়া এবং ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনে উৎসাহ জোগাতে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজারকুল জ্যোতিসেন উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক, শিক্ষানুরাগী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ও উপহার তুলে দেওয়া হয়।
মরহুম করিম দাদের পুত্র, রাজারকুল ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও মরহুম করিম দাদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো. ওমর ফারুকের নেতৃত্বে এ আয়োজন করা হয়। ছাত্রনেতা মঈনুর রশিদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক ডা. বদিউর রহমান। স্বাগত বক্তব্য দেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো. ওমর ফারুক।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কক্সবাজার জেলার সাবেক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নাছির উদ্দিন। প্রধান বক্তা ছিলেন রাজারকুল আজিজুল উলুম মাদরাসার প্রধান পরিচালক মাওলানা মোহছেন শরীফ। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন রাজারকুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা মুফিজুর রহমান মুফিজ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রাজারকুল মাছুমিয়া ইসলামিয়া ছুন্নিয়া আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ রুহুল আমিন আনসারী, বাকলিয়া সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক আব্দুল মান্নান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তামিম আহসান, সাবেক ছাত্রনেতা রতন বড়ুয়া, ব্যাংকার আব্দুর রহিম, মো. জুনাইদ, আল মোস্তফা ও জ্যোতিসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মাসুম আব্দুল্লাহ।
সংবর্ধিত শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন ফাহিমা আল দ্বীন, সিফাত পিরোজ ও সামিহা নওশিন জিহান। তারা কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়ার উদ্যোগের জন্য আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানের শেষপর্বে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্তসহ কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ শতাধিক শিক্ষার্থীর হাতে সম্মাননা ও উপহার তুলে দেওয়া হয়।
এ সময় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের মেধা ও সাফল্যকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে উচ্চশিক্ষায় এগিয়ে নিতে মরহুম করিম দাদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের এ ধরনের সামাজিক ও শিক্ষামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।


















