কিশোরগঞ্জের ভৈরবে শিমুলকান্দি ইউনিয়নের গোছামারা সড়কটি খানাখন্দ ও জলাবদ্ধতায় বেহাল হওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিশেষ করে এই সড়ক দিয়ে নিয়মিত যাতায়াত করা পথচারী, ব্যবসায়ী ও স্কুল-কলেজ শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
ভৈরব-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের দূরত্ব প্রায় ৪ কিলোমিটার ও বাসস্ট্যান্ড এলাকার দূরত্ব ৫ কিলোমিটার। এ সড়ক দিয়ে উপজেলার শিমুলকান্দি ও শ্রীনগর ইউনিয়নের বেশিরভাগ মানুষ নিয়মিত যাতায়াত করে। এমনকি আগানগর ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের মানুষও এই পথ দিয়ে ভৈরব শহরসহ আশপাশের এলাকায় যাতায়াত করে থাকে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন যাবৎ গোছামারা এলাকার সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়লেও দেখার কেউ নেই।
গতকাল শনিবার সরেজমিনে দেখা যায়, গোছামারা এলাকার সড়কে ছোট-বড় অসংখ্য খানাখন্দ, সড়কের পাশে ড্রেন না থাকায় সড়কের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঘেঁষা মঞ্জুর আলী মিয়া রোড ও অদূরে একটি সরু কালভার্ট দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে দেখা যায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ পথচারী ও স্থানীয়দের।
গোছামারা এলাকার তাহমিনা মোসলেহ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী জাহেদুল ইসলাম, শিক্ষার্থী রোমানা আক্তার ও রিয়ান মিয়া বলেন, রাস্তায় খানাখন্দ ও পানি জমে থাকায় অনেক সময় তাদের জামাকাপড় এবং বই-খাতা ভিজে নষ্ট হয়ে যায়। বৃষ্টি এলে রাস্তায় পানি জমে থাকার কারণে অনেক শিক্ষার্থী স্কুলে আসতে চায় না। এ কারণে বিদ্যালয়ে নিয়মিত সব ক্লাস হয় না।
স্থানীয় বিএনপি নেতা ফরিদ মিয়া বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে দীর্ঘদিন ধরে এই সড়কে কোনো উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। সামান্য বৃষ্টিতেই বড় বড় গর্তগুলোতে পানি জমে রাস্তায় চলাচল অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। এতে এই রাস্তায় নিয়মিত ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। শিগগিরই রাস্তাটি সংস্কার করা প্রয়োজন। গোছামারা ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আল আমিন মিয়া জানান, সম্প্রতি ইউএনও সড়কটি পরিদর্শনে এসেছিলেন।
যতটুকু জেনেছি, সড়কটি সংস্কারের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পথে।


















