নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার ইসলামপুর গুনাইহাটি ফাজিল মাদ্রাসার পদত্যাগকারী অধ্যক্ষ মো. ওসমান গণির বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অশালীন আচরণের অভিযোগ এনে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।
একই সঙ্গে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তার বেতন-ভাতা স্থগিত এবং মাদ্রাসার স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন অভিভাবকরা। অভিযোগে জানা যায়, বিগত সরকারের সময়ে স্বৈরাচারী ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে সাবেক অধ্যক্ষ মো. ওসমান গণি মাদ্রাসার ফান্ডের অর্থ আত্মসাৎ, শিক্ষক-কর্মচারীদের হয়রানি এবং শিক্ষার্থীদের (বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের) সঙ্গে অশালীন আচরণ করেন।
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে তিনি স্বহস্তে পদত্যাগপত্র দাখিল করে প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করেন। পরবর্তীতে ড. মো. তসলিম উদ্দিনকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়া হয়। অভিযোগপত্র থেকে আরও জানা যায়, সম্প্রতি অনৈতিকভাবে মনোনীত নতুন সভাপতি প্রতিষ্ঠানের অন্য সদস্যদের না জানিয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে পদত্যাগকৃত সাবেক অধ্যক্ষের নামে বেতন বিল তৈরিতে চাপ সৃষ্টি ও হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন।
এতে প্রতিষ্ঠানে চরম অচল অবস্থা ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, যা পাঠদান ব্যাহত করছে। এ অবস্থায় অভিভাবক মো. আব্দুল মোতালিব মিয়াজিসহ স্থানীয়দের পক্ষ থেকে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্ত সাবেক অধ্যক্ষের বেতন-ভাতাসহ সুযোগ-সুবিধা বন্ধ রাখা এবং প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।



















