9:48 am, Thursday, 19 February 2026

ইন্দোনেশিয়ার টেরনেট দ্বীপে বন্যায় প্রাণহানি ১৩

- ছবি: এপি

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় টেরনেট দ্বীপে প্রবল বৃষ্টিপাতের ফলে আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে। ভয়াবহ এই বন্যায় সেখানকার আবাসিক এলাকাগুলো প্লাবিত হয়ে অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বন্যায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উত্তর মালুকু প্রদেশের রুয়া গ্রাম। সেখানকার প্রধান সড়ক ও ওই অঞ্চলের প্রবেশপথ বন্ধ হয়ে গেছে। বহু বাড়িঘর কাদার নিচে চাপা পড়েছে।

উদ্ধারকারী দল স্থানীয়দের সাথে লাশ উদ্ধার ও নিখোঁজদের সন্ধানে কাজ করছে।

দেশটির আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূপদার্থবিদ্যা সংস্থা জানিয়েছে, আসন্ন দিনগুলোতে টের্নেট সিটি এলাকা ও এর আশপাশে উচ্চ মাত্রার বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে এবং বন্যা পরিস্তিতি অবনতির ক্ষেত্রে নির্দেশাবলী মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে।

ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে ইন্দোনেশিয়ায় ঘন ঘন ভূমিধস এবং আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়। দ্বীপরাষ্ট্রটিতে লাখ লাখ মানুষ পার্বত্য অঞ্চল ও প্লাবনভূমির কাছাকাছি বাস করে।

সূত্র : ইউএনবি

Write Your Comment

About Author Information

Bangladesh Diplomat

জামায়াতে যোগদান করলেন জাসদের শত শত নেতাকর্মী

ইন্দোনেশিয়ার টেরনেট দ্বীপে বন্যায় প্রাণহানি ১৩

Update Time : 08:29:17 pm, Sunday, 25 August 2024

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় টেরনেট দ্বীপে প্রবল বৃষ্টিপাতের ফলে আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে। ভয়াবহ এই বন্যায় সেখানকার আবাসিক এলাকাগুলো প্লাবিত হয়ে অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বন্যায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উত্তর মালুকু প্রদেশের রুয়া গ্রাম। সেখানকার প্রধান সড়ক ও ওই অঞ্চলের প্রবেশপথ বন্ধ হয়ে গেছে। বহু বাড়িঘর কাদার নিচে চাপা পড়েছে।

উদ্ধারকারী দল স্থানীয়দের সাথে লাশ উদ্ধার ও নিখোঁজদের সন্ধানে কাজ করছে।

দেশটির আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূপদার্থবিদ্যা সংস্থা জানিয়েছে, আসন্ন দিনগুলোতে টের্নেট সিটি এলাকা ও এর আশপাশে উচ্চ মাত্রার বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে এবং বন্যা পরিস্তিতি অবনতির ক্ষেত্রে নির্দেশাবলী মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে।

ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে ইন্দোনেশিয়ায় ঘন ঘন ভূমিধস এবং আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়। দ্বীপরাষ্ট্রটিতে লাখ লাখ মানুষ পার্বত্য অঞ্চল ও প্লাবনভূমির কাছাকাছি বাস করে।

সূত্র : ইউএনবি