3:47 pm, Saturday, 30 August 2025

‘মব ভায়োলেন্স’ থামাতে বলপ্রয়োগে বাধ্য হয় সেনাবাহিনী: আইএসপিআর

‘মব ভায়োলেন্স’ থামাতে বলপ্রয়োগে বাধ্য হয় সেনাবাহিনী: আইএসপিআর। ছবি: সংগৃহীত

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

ঢাকার কাকরাইলে জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের সংঘর্ষে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের অনুরোধে সেনাবাহিনী মাঠে নামে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় সংঘটিত এ ঘটনায় সেনাবাহিনীর পাঁচ সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। আইএসপিআর দাবি করেছে, শান্তিপূর্ণ সমাধানের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় তারা ‘মব ভায়োলেন্স’ ঠেকাতে বলপ্রয়োগে বাধ্য হয়।

সংস্থাটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, রাত ৮টার দিকে কাকরাইলে দুই রাজনৈতিক দলের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রথমে পুলিশ কাজ শুরু করে, পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে সেনাবাহিনীর সহায়তা চায় পুলিশ।

আইএসপিআরের ভাষায়, “প্রথমে দুই পক্ষকে শান্ত থাকার অনুরোধ জানানো হয়। কিন্তু কিছু উগ্র নেতাকর্মী সংঘবদ্ধভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলা করে, ইট-পাটকেল ছোড়ে এবং রাত ৯টার দিকে মশাল মিছিল নিয়ে সহিংসতা ছড়িয়ে দেয়। তারা বিভিন্ন স্থানে আগুন দেওয়ারও চেষ্টা করে।”

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, সংঘর্ষের কারণে বিজয়নগর, নয়াপল্টনসহ আশপাশের এলাকায় সাধারণ মানুষের চলাচল ব্যাহত হয়। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শেষপর্যন্ত বলপ্রয়োগের সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

আইএসপিআর জানায়, সরকার সব ধরনের ‘মব ভায়োলেন্স’-এর বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীও এই নীতিতে সম্পূর্ণ একমত। তারা ভবিষ্যতেও জননিরাপত্তা ও শান্তি রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত রয়েছে।

Write Your Comment

About Author Information

Bangladesh Diplomat

‘মব ভায়োলেন্স’ থামাতে বলপ্রয়োগে বাধ্য হয় সেনাবাহিনী: আইএসপিআর

Update Time : 10:32:04 am, Saturday, 30 August 2025

ঢাকার কাকরাইলে জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের সংঘর্ষে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের অনুরোধে সেনাবাহিনী মাঠে নামে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় সংঘটিত এ ঘটনায় সেনাবাহিনীর পাঁচ সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। আইএসপিআর দাবি করেছে, শান্তিপূর্ণ সমাধানের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় তারা ‘মব ভায়োলেন্স’ ঠেকাতে বলপ্রয়োগে বাধ্য হয়।

সংস্থাটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, রাত ৮টার দিকে কাকরাইলে দুই রাজনৈতিক দলের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রথমে পুলিশ কাজ শুরু করে, পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে সেনাবাহিনীর সহায়তা চায় পুলিশ।

আইএসপিআরের ভাষায়, “প্রথমে দুই পক্ষকে শান্ত থাকার অনুরোধ জানানো হয়। কিন্তু কিছু উগ্র নেতাকর্মী সংঘবদ্ধভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলা করে, ইট-পাটকেল ছোড়ে এবং রাত ৯টার দিকে মশাল মিছিল নিয়ে সহিংসতা ছড়িয়ে দেয়। তারা বিভিন্ন স্থানে আগুন দেওয়ারও চেষ্টা করে।”

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, সংঘর্ষের কারণে বিজয়নগর, নয়াপল্টনসহ আশপাশের এলাকায় সাধারণ মানুষের চলাচল ব্যাহত হয়। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শেষপর্যন্ত বলপ্রয়োগের সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

আইএসপিআর জানায়, সরকার সব ধরনের ‘মব ভায়োলেন্স’-এর বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীও এই নীতিতে সম্পূর্ণ একমত। তারা ভবিষ্যতেও জননিরাপত্তা ও শান্তি রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত রয়েছে।