চট্টগ্রাম মহানগরের ইপিজেড থানার আকমল আলী এলাকায় একটি অস্থায়ী জুয়ার ঘরে অভিযান চালিয়ে ছয় জুয়াড়িকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় জুয়া খেলার সরঞ্জাম, বিভিন্ন রঙের ১৫ প্যাকেট তাস ও নগদ ৩৩ হাজার ৯০০ টাকা জব্দ করা হয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দক্ষিণ হালিশহরের আকমল আলী খালপাড় সিডিএ বালুর মাঠসংলগ্ন আমবাগান এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—বন্দর থানার ধুফফুল এলাকার সাদ্দাম (৩৫), বাঁশখালীর বাসু দে (৩৫), বন্দর থানার ২ নম্বর মাইলের মাথা এলাকার আব্দুল মজিদ (৪০), ভোলার লালমোহনের মো. আরিফ (২৮), ইপিজেড থানার দক্ষিণ হালিশহর এলাকার মো. আনোয়ার হোসেন (৪৬) এবং আনোয়ারা উপজেলার জুইদন্ডী এলাকার মো. সাঈদ হোসেন শাকিল (২৬)।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইপিজেড থানার ওসি মুহাম্মদ আতিকুর রহমান। পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইপিজেড থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ওই এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় ত্রিপল ও বাঁশ দিয়ে তৈরি অস্থায়ী টংঘরে জুয়ার আসর বসানো অবস্থায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তাদের ৮ থেকে ১০ জন সহযোগী পালিয়ে যায়।
পুলিশের দাবি, স্থানীয় জুয়াড়ি ওসমান গনি ওই অস্থায়ী জুয়ার ঘরটি নির্মাণ করে পরিচালনা করছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগে আকমল আলী পকেট গেট খালপাড় এলাকায় একই ব্যক্তির পরিচালিত একটি জুয়ার ঘর ভ্রাম্যমাণ আদালত ও পুলিশের অভিযানে ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। এরপর ওসমান গনি গহীন আমবাগানে নতুন করে জুয়ার আসর বসানোর জন্য ঘরটি নির্মাণ করেন।
অভিযানকালে জুয়ার বোর্ড থেকে বিভিন্ন রঙের ১৫ প্যাকেট তাস ও নগদ ৩৩ হাজার ৯০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ছয়জন এবং পলাতক ওসমান গনিসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনের বিরুদ্ধে ইপিজেড থানায় মামলা হয়েছে। ইপিজেড থানার ওসি মুহাম্মদ আতিকুর রহমান বলেন, পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। গ্রেপ্তার ছয়জনকে বিধি অনুযায়ী আদালতে পাঠানো হয়েছে।



















