আজ মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২৪ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ২৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮
ঢাকা
আংশিক মেঘলা
২৭°C
সর্বোচ্চ: ৩৩°C
সর্বনিম্ন: ২৬°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৯১%

পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলার সুযোগ বাংলাদেশের, গ্যালারিতে বসে ভিনিসিয়ুস-পাকেতাদের দেখার অপেক্ষা

  • MIT ERP
  • Update Time : 07:10:33 pm, Wednesday, 26 August 2026
  • 40

পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলার সুযোগ বাংলাদেশের, গ্যালারিতে বসে ভিনিসিয়ুস-পাকেতাদের দেখার অপেক্ষা

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম পরাশক্তি ও পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলার সুযোগ তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের। টেলিভিশন স্ক্রিন কিংবা বিশ্বকাপের রূপকথায় যাদের দেখা মেলে, সেই ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, লুকাস পাকেতা কিংবা এনদ্রিকদের গ্যালারিতে বসে সরাসরি দেখার এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইবেন না কোনো ফুটবলপ্রেমীই।

তবে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের সাম্প্রতিক বক্তব্যে বাস্তবতার দেয়ালে ধাক্কা খেয়েছে ফুটবলপ্রেমীদের সেই আমেজ। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ব্রাজিলের মতো হেভিওয়েট দলকে আতিথেয়তা দিতে বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে কোনো অর্থ ব্যয় করা হবে না। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে সরকারের এমন অবস্থানকে অনেকেই বাস্তবসম্মত বলে মনে করছেন।

তবে প্রশ্ন উঠছে—একটি প্রীতি ম্যাচ আয়োজনে ঠিক কত টাকা খরচ হয়, যার জন্য সরকার এমন কঠিন সিদ্ধান্ত নিল? অতীতে চোখ বোলালে দেখা যায়, ২০১১ সালে ঢাকায় আর্জেন্টিনা ও নাইজেরিয়ার সেই ঐতিহাসিক প্রীতি ম্যাচ আয়োজনে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) খরচ হয়েছিল প্রায় ৩.৮ মিলিয়ন ডলার (তৎকালীন বাজারদরে প্রায় ২৬-২৭ কোটি টাকা)। এবার ব্রাজিলের জাতীয় দলকে ঢাকায় নিয়ে আসতে প্রাথমিক খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ৩ মিলিয়ন ডলার।

বর্তমান মার্কিন ডলারের উচ্চমূল্যের হিসেবে বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৩৭ কোটি টাকা! মুদ্রাস্ফীতি ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের এই সময়ে কেবল একটি প্রীতি ম্যাচের জন্য এত বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা খরচে সরকারের সায় নেই। তবে হাল ছেড়ে দেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি এখনই। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী পথ একটি খোলা রেখেছেন—যদি বাফুফে বা কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নিজস্ব উদ্যোগে স্পন্সর জোগাড় করতে পারে, তবে ম্যাচ আয়োজনে সরকারের কোনো আপত্তি থাকবে না।

সে ক্ষেত্রে আয়োজনের সব আর্থিক দায়ভার সেই স্পন্সরদেরই নিতে হবে। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত বাফুফে কোন কথা বলেনি। তবে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘থার্ড পার্টি থেকে অনেকেই বলেছে, ম্যাচটা আয়োজনে ৩ মিলিয়ন ডলার লাগতে পারে (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৭ কোটি টাকা)। এটা আমি শুনেছি। কিন্তু এত ডলার খরচ করে ম্যাচের পক্ষে আমরা না।

’ ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্যমতে, ‘দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় একটি প্রদর্শনী ম্যাচের জন্য বিপুল অর্থ ব্যয় করার মানসিকতা সরকারের নেই। তবে বাফুফে যদি কোনো বেসরকারি স্পনসর এনে ম্যাচ আয়োজন করতে পারে, তাহলে সরকার সার্বিক সহযোগিতা করবে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

ওরাকল ও মাইক্রোসফটে বড় ছাঁটাই: নেপথ্যে কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা?

পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলার সুযোগ বাংলাদেশের, গ্যালারিতে বসে ভিনিসিয়ুস-পাকেতাদের দেখার অপেক্ষা

Update Time : 07:10:33 pm, Wednesday, 26 August 2026

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম পরাশক্তি ও পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলার সুযোগ তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের। টেলিভিশন স্ক্রিন কিংবা বিশ্বকাপের রূপকথায় যাদের দেখা মেলে, সেই ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, লুকাস পাকেতা কিংবা এনদ্রিকদের গ্যালারিতে বসে সরাসরি দেখার এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইবেন না কোনো ফুটবলপ্রেমীই।

তবে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের সাম্প্রতিক বক্তব্যে বাস্তবতার দেয়ালে ধাক্কা খেয়েছে ফুটবলপ্রেমীদের সেই আমেজ। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ব্রাজিলের মতো হেভিওয়েট দলকে আতিথেয়তা দিতে বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে কোনো অর্থ ব্যয় করা হবে না। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে সরকারের এমন অবস্থানকে অনেকেই বাস্তবসম্মত বলে মনে করছেন।

তবে প্রশ্ন উঠছে—একটি প্রীতি ম্যাচ আয়োজনে ঠিক কত টাকা খরচ হয়, যার জন্য সরকার এমন কঠিন সিদ্ধান্ত নিল? অতীতে চোখ বোলালে দেখা যায়, ২০১১ সালে ঢাকায় আর্জেন্টিনা ও নাইজেরিয়ার সেই ঐতিহাসিক প্রীতি ম্যাচ আয়োজনে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) খরচ হয়েছিল প্রায় ৩.৮ মিলিয়ন ডলার (তৎকালীন বাজারদরে প্রায় ২৬-২৭ কোটি টাকা)। এবার ব্রাজিলের জাতীয় দলকে ঢাকায় নিয়ে আসতে প্রাথমিক খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ৩ মিলিয়ন ডলার।

বর্তমান মার্কিন ডলারের উচ্চমূল্যের হিসেবে বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৩৭ কোটি টাকা! মুদ্রাস্ফীতি ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের এই সময়ে কেবল একটি প্রীতি ম্যাচের জন্য এত বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা খরচে সরকারের সায় নেই। তবে হাল ছেড়ে দেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি এখনই। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী পথ একটি খোলা রেখেছেন—যদি বাফুফে বা কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নিজস্ব উদ্যোগে স্পন্সর জোগাড় করতে পারে, তবে ম্যাচ আয়োজনে সরকারের কোনো আপত্তি থাকবে না।

সে ক্ষেত্রে আয়োজনের সব আর্থিক দায়ভার সেই স্পন্সরদেরই নিতে হবে। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত বাফুফে কোন কথা বলেনি। তবে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘থার্ড পার্টি থেকে অনেকেই বলেছে, ম্যাচটা আয়োজনে ৩ মিলিয়ন ডলার লাগতে পারে (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৭ কোটি টাকা)। এটা আমি শুনেছি। কিন্তু এত ডলার খরচ করে ম্যাচের পক্ষে আমরা না।

’ ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্যমতে, ‘দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় একটি প্রদর্শনী ম্যাচের জন্য বিপুল অর্থ ব্যয় করার মানসিকতা সরকারের নেই। তবে বাফুফে যদি কোনো বেসরকারি স্পনসর এনে ম্যাচ আয়োজন করতে পারে, তাহলে সরকার সার্বিক সহযোগিতা করবে।