আজ বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ০৪ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
আংশিক মেঘলা
২৭°C
সর্বোচ্চ: ৩৪°C
সর্বনিম্ন: ২৭°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৮০%

পেরুতে পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, সব আরোহী নিহত

  • MIT ERP
  • Update Time : 09:46:17 am, Sunday, 2 August 2026
  • 40
Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুর বিখ্যাত পর্যটন এলাকা নাজকা লাইন্সের আকাশে উড্ডয়নের সময় একটি ছোট পর্যটকবাহী বিমান দুর্ঘটনায় পতিত হয়েছে। এ ঘটনায় বিমানে থাকা ১৩ জনের সবাই নিহত হয়েছেন বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও গণমাধ্যম নিশ্চিত করেছে। জানা গেছে, সেসনা ক্যারাভান সি-২০৮ মডেলের বিমানটি শনিবার (১ আগস্ট) নাজকা লাইন্সের ওপর দিয়ে দর্শনীয় ভ্রমণের সময় বিধ্বস্ত হয়। বিমানটিতে ১১ জন পর্যটক এবং দুইজন পাইলট ছিলেন। পেরুর রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থার তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে সাতজন ইতালীয়, দুজন জার্মান ও দুজন স্প্যানিশ নাগরিক ছিলেন। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। দক্ষিণ পেরুর নাজকা লাইন্স ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান। মরুভূমির বিস্তীর্ণ এলাকায় অঙ্কিত বিশাল আকৃতির প্রাচীন নকশাগুলো আকাশ থেকে দেখার জন্য প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক পর্যটক ছোট বিমানে ভ্রমণ করেন। দুর্ঘটনার বিষয়ে পুলিশ কর্মকর্তা হোর্হে আন্দ্রাদে জানান, বিমানটি এতটাই ভয়াবহভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে যে কেউ জীবিত নেই। উদ্ধারকারীরা এখন পর্যন্ত কয়েকটি মরদেহ উদ্ধার করেছেন এবং উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় সময় শনিবার দুপুর ১টার দিকে পুয়েবলো ভিয়েহো এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। এর আগে বিমানটি পিসকো বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করেছিল। দুর্ঘটনার পর প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, বিধ্বস্ত বিমানের ধ্বংসস্তূপ থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকলকর্মীরা কাজ করছেন। নাসকা প্রাদেশিক পৌর কর্তৃপক্ষ এক শোকবার্তায় নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনায় কবলিত বিমানটি স্থানীয় এয়ারলাইন এরোডিয়ানা-এর মালিকানাধীন। এদিকে, এরোডিয়ানা জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করে তারা তাদের ফ্লাইট পরিচালনা ও নিরাপত্তা কার্যক্রম পর্যালোচনা করবে। উল্লেখ্য, নাজকা লাইন্স এলাকায় এর আগেও একাধিক বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছে। ২০২২ সালে একটি পর্যটকবাহী ছোট বিমান বিধ্বস্ত হয়ে সাতজন নিহত হন। এছাড়া ২০১০ সালের আরেকটি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ছয়জন।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

হামের উপসর্গে আরও আট শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি বেড়ে ১০৪৪

পেরুতে পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, সব আরোহী নিহত

Update Time : 09:46:17 am, Sunday, 2 August 2026

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুর বিখ্যাত পর্যটন এলাকা নাজকা লাইন্সের আকাশে উড্ডয়নের সময় একটি ছোট পর্যটকবাহী বিমান দুর্ঘটনায় পতিত হয়েছে। এ ঘটনায় বিমানে থাকা ১৩ জনের সবাই নিহত হয়েছেন বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও গণমাধ্যম নিশ্চিত করেছে। জানা গেছে, সেসনা ক্যারাভান সি-২০৮ মডেলের বিমানটি শনিবার (১ আগস্ট) নাজকা লাইন্সের ওপর দিয়ে দর্শনীয় ভ্রমণের সময় বিধ্বস্ত হয়। বিমানটিতে ১১ জন পর্যটক এবং দুইজন পাইলট ছিলেন। পেরুর রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থার তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে সাতজন ইতালীয়, দুজন জার্মান ও দুজন স্প্যানিশ নাগরিক ছিলেন। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। দক্ষিণ পেরুর নাজকা লাইন্স ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান। মরুভূমির বিস্তীর্ণ এলাকায় অঙ্কিত বিশাল আকৃতির প্রাচীন নকশাগুলো আকাশ থেকে দেখার জন্য প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক পর্যটক ছোট বিমানে ভ্রমণ করেন। দুর্ঘটনার বিষয়ে পুলিশ কর্মকর্তা হোর্হে আন্দ্রাদে জানান, বিমানটি এতটাই ভয়াবহভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে যে কেউ জীবিত নেই। উদ্ধারকারীরা এখন পর্যন্ত কয়েকটি মরদেহ উদ্ধার করেছেন এবং উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় সময় শনিবার দুপুর ১টার দিকে পুয়েবলো ভিয়েহো এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। এর আগে বিমানটি পিসকো বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করেছিল। দুর্ঘটনার পর প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, বিধ্বস্ত বিমানের ধ্বংসস্তূপ থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকলকর্মীরা কাজ করছেন। নাসকা প্রাদেশিক পৌর কর্তৃপক্ষ এক শোকবার্তায় নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনায় কবলিত বিমানটি স্থানীয় এয়ারলাইন এরোডিয়ানা-এর মালিকানাধীন। এদিকে, এরোডিয়ানা জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করে তারা তাদের ফ্লাইট পরিচালনা ও নিরাপত্তা কার্যক্রম পর্যালোচনা করবে। উল্লেখ্য, নাজকা লাইন্স এলাকায় এর আগেও একাধিক বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছে। ২০২২ সালে একটি পর্যটকবাহী ছোট বিমান বিধ্বস্ত হয়ে সাতজন নিহত হন। এছাড়া ২০১০ সালের আরেকটি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ছয়জন।