আজ মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২৪ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ২৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮
ঢাকা
আংশিক মেঘলা
২৭°C
সর্বোচ্চ: ৩৩°C
সর্বনিম্ন: ২৬°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৯১%

বিরল রোগে আক্রান্ত মেয়েকে বাঁচাতে অসহায় পিতার আকুতি

  • MIT ERP
  • Update Time : 04:06:43 am, Sunday, 2 August 2026
  • 24
Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার বাঘবেড় কালিনগর গ্রামের মধ্যবিত্ত পরিবারের ছোট্ট মেয়ে মাঈশা। জীবনের প্রথম চার বছর অন্য দশটি সুস্থ শিশুর মতোই স্বাভাবিক ও প্রাণবন্ত ছিল সে। কিন্তু হঠাৎ করেই এক নির্মম ও অদৃশ্য অভিশাপের মতো তার ছোট্ট জীবনে নেমে আসে ‘ডিসটোনিয়া’ নামক এক অত্যন্ত বিরল ও দুরারোগ্য ব্যাধি। দেখতে দেখতে দীর্ঘ ছয় বছর ধরে এই ভয়ংকর ব্যাধির সঙ্গে অসম এক লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে অবুঝ এই শিশুটি। দিন যত যাচ্ছে, মাঈশার শারীরিক পরিস্থিতি ততই অবনতির দিকে যাচ্ছে, যা পরিবারটিকে নিঃস্ব করে তুলেছে। মাঈশার বাবা মাহফুজ আহমেদ জানান, গত ছয় বছর ধরে মেয়ের চিকিৎসার পেছনে তিনি জীবনের সমস্ত সঞ্চয় এবং উপার্জিত শেষ সম্বলটুকুও ব্যয় করে ফেলেছেন। বর্তমানে তাদের আর্থিক অবস্থা এতটাই শোচনীয় যে, দুই বেলা দুমুঠো ভাত জোগাড় করাই কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমতাবস্থায় দেশের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মাঈশাকে বাঁচাতে হলে জরুরি ভিত্তিতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ভারতে নিয়ে যাওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন। কিন্তু একজন দরিদ্র ও অসহায় পিতার পক্ষে এই বিশাল অঙ্কের চিকিৎসার ব্যয় বহন করা আকাশ কুসুম কল্পনার মতো অসম্ভব। তিনি আরও বলেন, একজন বাবা কতটা অসহায় ও পাথরচাপা বুক নিয়ে বেঁচে থাকলে নিজের সন্তানের জীবন বাঁচাতে মানুষের দ্বারে দ্বারে হাত পাততে হয়, তা শুধু একজন বাবাই উপলব্ধি করতে পারবেন। আমি আমার এই নিষ্পাপ মেয়েকে শেষবারের মতো বাঁচানোর জন্য সাধ্যমতো চেষ্টা করে দেখতে চাই। কিন্তু অর্থের নির্মম প্রাচীরের কাছে আজ আমি পুরোপুরি পরাজিত ও অসহায়। মাঈশার পরিবার জানিয়েছে, সমাজের বিত্তবান, হৃদয়বান ও দানশীল ব্যক্তিরা যদি একটু সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে দেন, তবে হয়তো ছোট্ট মাঈশা এই মরণব্যাধি থেকে মুক্তি পেয়ে আবারও তার মায়ের কোলে ফিরে আসতে পারে। আপনাদের সামান্য আর্থিক সহায়তা ও ঐকান্তিক দোয়ায় বেঁচে যেতে পারে একটি সম্ভাবনাময় শিশুর অমূল্য প্রাণ। সাহায্য পাঠানোর ও সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যম: ০১৮১১-৯৯৮৮৮৮ (বিকাশ/নগদ/যোগাযোগ)।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

ওরাকল ও মাইক্রোসফটে বড় ছাঁটাই: নেপথ্যে কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা?

বিরল রোগে আক্রান্ত মেয়েকে বাঁচাতে অসহায় পিতার আকুতি

Update Time : 04:06:43 am, Sunday, 2 August 2026

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার বাঘবেড় কালিনগর গ্রামের মধ্যবিত্ত পরিবারের ছোট্ট মেয়ে মাঈশা। জীবনের প্রথম চার বছর অন্য দশটি সুস্থ শিশুর মতোই স্বাভাবিক ও প্রাণবন্ত ছিল সে। কিন্তু হঠাৎ করেই এক নির্মম ও অদৃশ্য অভিশাপের মতো তার ছোট্ট জীবনে নেমে আসে ‘ডিসটোনিয়া’ নামক এক অত্যন্ত বিরল ও দুরারোগ্য ব্যাধি। দেখতে দেখতে দীর্ঘ ছয় বছর ধরে এই ভয়ংকর ব্যাধির সঙ্গে অসম এক লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে অবুঝ এই শিশুটি। দিন যত যাচ্ছে, মাঈশার শারীরিক পরিস্থিতি ততই অবনতির দিকে যাচ্ছে, যা পরিবারটিকে নিঃস্ব করে তুলেছে। মাঈশার বাবা মাহফুজ আহমেদ জানান, গত ছয় বছর ধরে মেয়ের চিকিৎসার পেছনে তিনি জীবনের সমস্ত সঞ্চয় এবং উপার্জিত শেষ সম্বলটুকুও ব্যয় করে ফেলেছেন। বর্তমানে তাদের আর্থিক অবস্থা এতটাই শোচনীয় যে, দুই বেলা দুমুঠো ভাত জোগাড় করাই কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমতাবস্থায় দেশের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মাঈশাকে বাঁচাতে হলে জরুরি ভিত্তিতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ভারতে নিয়ে যাওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন। কিন্তু একজন দরিদ্র ও অসহায় পিতার পক্ষে এই বিশাল অঙ্কের চিকিৎসার ব্যয় বহন করা আকাশ কুসুম কল্পনার মতো অসম্ভব। তিনি আরও বলেন, একজন বাবা কতটা অসহায় ও পাথরচাপা বুক নিয়ে বেঁচে থাকলে নিজের সন্তানের জীবন বাঁচাতে মানুষের দ্বারে দ্বারে হাত পাততে হয়, তা শুধু একজন বাবাই উপলব্ধি করতে পারবেন। আমি আমার এই নিষ্পাপ মেয়েকে শেষবারের মতো বাঁচানোর জন্য সাধ্যমতো চেষ্টা করে দেখতে চাই। কিন্তু অর্থের নির্মম প্রাচীরের কাছে আজ আমি পুরোপুরি পরাজিত ও অসহায়। মাঈশার পরিবার জানিয়েছে, সমাজের বিত্তবান, হৃদয়বান ও দানশীল ব্যক্তিরা যদি একটু সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে দেন, তবে হয়তো ছোট্ট মাঈশা এই মরণব্যাধি থেকে মুক্তি পেয়ে আবারও তার মায়ের কোলে ফিরে আসতে পারে। আপনাদের সামান্য আর্থিক সহায়তা ও ঐকান্তিক দোয়ায় বেঁচে যেতে পারে একটি সম্ভাবনাময় শিশুর অমূল্য প্রাণ। সাহায্য পাঠানোর ও সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যম: ০১৮১১-৯৯৮৮৮৮ (বিকাশ/নগদ/যোগাযোগ)।